ব্রিটিশের নিষেধাজ্ঞা থেকে উত্তমকুমারের সব্যসাচী: শতবর্ষে ‘পথের দাবী’

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্য নিয়ে বাঙালির আবেগের শেষ নেই। প্রেম, বিরহ, সংসার, সামাজিক সংকট, নারীর আত্মমর্যাদা—জীবনের প্রায় প্রতিটি স্তরেই তিনি পাঠকের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁর চরিত্ররা কখনো ঘরের মানুষ, কখনো সমাজের প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ, কখনো আবার সময়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে থাকা বিদ্রোহী। কিন্তু শরৎচন্দ্রের আর-একটি মুখ আছে—তীক্ষ্ণ, রাজনৈতিক, প্রশ্নমুখর। সেই মুখের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রকাশ পথের দাবী

এ বছর সেই উপন্যাসের প্রকাশের একশো বছর। শতবর্ষে পথের দাবীর দিকে ফিরে তাকানো মানে শুধু একটি উপন্যাসের ইতিহাসের দিকে তাকানো নয়; বাংলা সাহিত্য, ঔপনিবেশিক ভারত, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা এবং ভারতীয় চলচ্চিত্রের দীর্ঘ এক যাত্রাপথকেও ফিরে দেখা। শরৎচন্দ্রের সৃষ্ট বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিক বইয়ের পাতা পেরিয়ে প্রথমে বাংলা সিনেমায়, তারপর হিন্দি পর্দায় এবং পরে আবার বাংলা সিনেমায় ফিরে এসেছেন। বদলেছে সময়, বদলেছে দর্শক, বদলেছে চলচ্চিত্রের ভাষা; কিন্তু সব্যসাচীর ভেতরের অস্থিরতা ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা আজও অম্লান।

পথের দাবী প্রথমে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল বঙ্গবাণী পত্রিকায়। ১৩২৯ বঙ্গাব্দের ফাল্গুন-চৈত্র থেকে ১৩৩৩ বঙ্গাব্দের বৈশাখ পর্যন্ত বিভিন্ন সংখ্যায় উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। পরে ৩১ আগস্ট ১৯২৬ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র সব্যসাচী—শুধু একজন বিপ্লবী নন, এক ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক ও নৈতিক বিদ্রোহের প্রতীক। তাঁর নেতৃত্বে গড়ে ওঠে গোপন বিপ্লবী সংগঠন ‘পথের দাবী’। ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা, জাতীয়তাবাদ, ব্যক্তিস্বাধীনতা, সমাজের অসাম্য এবং মানুষের মর্যাদা—সব মিলিয়ে উপন্যাসটি তার সময়ের রাজনীতি ও সমাজকে সরাসরি স্পর্শ করেছিল।

ফলে ব্রিটিশ সরকারের চোখে পথের দাবী নিছক সাহিত্য ছিল না। ১৯২৬ সালের ১১ ডিসেম্বর তৎকালীন অ্যাডভোকেট জেনারেল বইটিকে দেশদ্রোহমূলক ও বাজেয়াপ্তযোগ্য বলে মত দেন। ১৯২৭ সালের ৪ জানুয়ারি সরকারি গেজেটে উপন্যাসটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। নিষেধাজ্ঞার যৌক্তিকতা নিয়ে আইনসভায় প্রশ্নও উঠেছিল। একটি বইকে নিষিদ্ধ করে তার শব্দকে থামানো যায়, কিন্তু তার প্রশ্নকে নয়। বরং নিষেধাজ্ঞাই অনেক সময় একটি সাহিত্যকর্মকে আরও বেশি আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসে। পথের দাবীর ক্ষেত্রেও তাই হয়েছিল। সব্যসাচী তখন কেবল শরৎচন্দ্রের কল্পনার চরিত্র রইলেন না; তিনি ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতাকামী চেতনার এক প্রতীকী মুখ হয়ে উঠলেন।

তারপর একদিন সেই সব্যসাচী বইয়ের পাতা ছেড়ে উঠে এলেন রুপোলি পর্দায়। প্রথমবার বাংলা সিনেমায়। পথের দাবীর প্রথম চলচ্চিত্ররূপ তৈরি হয় ১৯৪৭ সালে। সময়টি ছিল ইতিহাসের এক অসাধারণ সন্ধিক্ষণ। ভারত তখন ব্রিটিশ শাসনের অবসানের অপেক্ষায়। একদিকে স্বাধীনতার উত্তেজনা, অন্যদিকে দেশভাগের অশনি-সংকেত। এমন এক সময়ে শরৎচন্দ্রের ব্রিটিশবিরোধী উপন্যাসের চলচ্চিত্রায়ণ নিছক সাহিত্যরূপান্তর ছিল না; এর সঙ্গে সময়ের রাজনৈতিক আবহও অবধারিতভাবে জড়িয়ে ছিল।

সতীশ দাশগুপ্ত ও দিগম্বর চট্টোপাধ্যায়ের পরিচালনায় নির্মিত ছবিটির নামও ছিল পথের দাবী। বেঙ্গল ফিল্ম আর্কাইভের তথ্য অনুযায়ী ছবিটি ১৯৪৭ সালের ৭ মার্চ কলকাতার রূপবাণী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। সব্যসাচীর ভূমিকায় ছিলেন দেবী মুখোপাধ্যায়। অভিনয় করেছিলেন মিহির ভট্টাচার্য, সুমিত্রা দেবী, জহর গঙ্গোপাধ্যায়, কমল মিত্র, তুলসী চক্রবর্তী, ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ অনেকে। ছবিটি ছিল সাদা-কালো। 

স্বাধীনতার মাত্র কয়েক মাস আগে এই ছবি মুক্তি পাওয়ার ঘটনাটি তাই বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। যে উপন্যাস একসময় ব্রিটিশ সরকার নিষিদ্ধ করেছিল, সেই উপন্যাসই স্বাধীনতার প্রাক্কালে সিনেমার পর্দায় দৃশ্যমান হয়ে উঠল। সাহিত্য থেকে সিনেমায় এই যাত্রা যেন ইতিহাসেরই এক প্রতীকী পালাবদল।

পথের দাবীর চলচ্চিত্রযাত্রা সেখানেই থামেনি। ১৯৪৮ সালে উপন্যাসটি হিন্দি ভাষায় ‘সব্যসাচী’ নামে পর্দায় আসে। অগ্রদূত পরিচালিত এই ছবিতে নামভূমিকায় অভিনয় করেন কমল মিত্র। অপূর্বর চরিত্রে পরেশ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ভারতীর ভূমিকায় ছিলেন সন্ধ্যারানি। 

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক দিক রয়েছে। সব্যসাচী বাঙালি বিপ্লবীর চরিত্র হলেও তাঁর সংগ্রামের মূল প্রশ্ন ছিল সর্বভারতীয়—পরাধীনতার অবসান এবং স্বাধীনতার অধিকার। ফলে চরিত্রটি বাংলা ভাষার সীমানা অতিক্রম করে হিন্দি সিনেমায় পৌঁছতে পেরেছিল।

আজকের দিনে বাংলা সাহিত্য থেকে হিন্দি বা অন্য ভারতীয় ভাষায় চলচ্চিত্র নির্মাণ খুব স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু ১৯৪৮ সালে, স্বাধীনতার ঠিক পরের বছরেই, একটি বাংলা রাজনৈতিক উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্রকে হিন্দি সিনেমার দর্শকের সামনে হাজির করা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। সব্যসাচী তখন শুধু বাংলার চরিত্র নয়; স্বাধীনতার পর নতুন ভারত যে আত্মপরিচয় খুঁজছিল, তারও এক প্রতীকী প্রতিনিধি।

এরপর আসে ১৯৭৭ সাল। শরৎচন্দ্রের সব্যসাচী পেলেন বাঙালির মহানায়ক উত্তমকুমারকে। পীযূষ বসুর পরিচালনায় নির্মিত ‘সব্যসাচী’ মুক্তি পায় ২১ জানুয়ারি ১৯৭৭। ছবিতে উত্তমকুমারের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন সুপ্রিয়া দেবী, বিকাশ রায়, অনিল চট্টোপাধ্যায়, তরুণ কুমার প্রমুখ। উত্তমকুমারের সব্যসাচী বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকের কাছে চরিত্রটিকে নতুন করে প্রতিষ্ঠা করে। শরৎচন্দ্রের বর্ণনায় সব্যসাচী যেমন অসাধারণ মেধাবী, সাহসী, রহস্যময় ও বহুরূপী, উত্তমকুমারের অভিনয়ে সেই চরিত্র পেল এক স্বতন্ত্র পর্দা-ব্যক্তিত্ব। কখনো শান্ত, কখনো কঠোর, কখনো ছদ্মবেশে অদৃশ্য—সব্যসাচী যেন একজন মানুষ হয়েও একাধিক মানুষের ছায়া।

বেঙ্গল ফিল্ম আর্কাইভের আলোচনায়ও ছবিটির একটি বিশেষ দিক উঠে এসেছে—সব্যসাচীর নানা ছদ্মবেশ এবং উত্তমকুমারের অভিনয়-ব্যক্তিত্ব চরিত্রটিকে জনপ্রিয় করে তুলেছিল। উত্তমকুমারের সব্যসাচীকে তাই শুধু তাঁর অভিনয়জীবনের আর একটি ছবি হিসেবে দেখলে ভুল হবে। ১৯৭৭-এর দর্শক স্বাধীনতার লড়াই দেখছিল অতীতের ইতিহাস হিসেবে। ব্রিটিশ শাসন তখন বহু দূরের স্মৃতি। কিন্তু আদর্শ, অন্যায়, রাষ্ট্র, স্বাধীনতা ও মানুষের মর্যাদা নিয়ে প্রশ্নগুলো তখনো জীবন্ত। ফলে ১৯২০-এর দশকের বিপ্লবী চরিত্র ১৯৭০-এর দশকের দর্শকের কাছেও নতুন অর্থ তৈরি করেছিল।

একই সব্যসাচী ভিন্ন ভিন্ন সময়ে। পথের দাবীর চলচ্চিত্র-ইতিহাসের দিকে তাকালে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়টি এখানেই। ১৯৪৭-এর সব্যসাচী দাঁড়িয়ে আছেন স্বাধীনতার প্রাক্কালে। ব্রিটিশ শাসন তখনও বাস্তব, স্বাধীনতা আসন্ন, আবার দেশভাগের আশঙ্কাও ঘনীভূত। ১৯৪৮-এর হিন্দি ‘সব্যসাচী’ হাজির হয় সদ্য স্বাধীন ভারতের প্রথম পর্বে। একটি নতুন দেশ নিজের পরিচয় ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের চেষ্টা করছে। আর ১৯৭৭-এর উত্তমকুমারের সব্যসাচী ফিরে আসে স্বাধীনতার তিন দশক পরে। তখন ব্রিটিশ শাসন ইতিহাসের অধ্যায়; কিন্তু রাজনৈতিক আদর্শ, সামাজিক বৈষম্য, অন্যায় এবং মানুষের স্বাধীনতার প্রশ্ন এখনো অমীমাংসিত। একই চরিত্র তাই তিনটি আলাদা সময়ের আয়না হয়ে উঠেছে।

শরৎচন্দ্রের সাহসের জায়গাটি কোথায়? পথের দাবীর সবচেয়ে বড় শক্তি হয়তো তার বিপ্লবী রোমাঞ্চে নয়, বরং প্রশ্ন তোলার ক্ষমতায়। শরৎচন্দ্র এমন সময়ে উপন্যাসটি লিখেছিলেন যখন ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সরাসরি রাজনৈতিক বক্তব্য প্রকাশ করাও ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু তিনি সব্যসাচীকে নিছক বন্দুকধারী বিপ্লবী হিসেবে তৈরি করেননি। তাঁর মধ্যে রয়েছে অসাধারণ মেধা, রাজনৈতিক বোধ, আত্মসংযম, কঠোরতা, আবেগ এবং গভীর মানবিক দ্বন্দ্ব। এই কারণেই সব্যসাচীকে নিখুঁত নায়ক বা দেবতার আসনে বসানো যায় না। তিনি প্রশ্ন করেন, তর্ক করেন, কখনও নির্মম হন, আবার তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের ভেতরেও মানবিকতার অনুসন্ধান থাকে। এখানেই শরৎচন্দ্রের সাহিত্যিক শক্তি।

পথের দাবী নিয়ে সমকালেও বিতর্ক ছিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর উপন্যাসটির কিছু রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। শরৎচন্দ্র নিজেও এই উপন্যাস নিয়ে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে মতবিনিময় করেছিলেন। ফলে পথের দাবী কেবল জনপ্রিয় বিপ্লবী উপন্যাস ছিল না; তা ছিল তৎকালীন ভারতীয় জাতীয়তাবাদ, বিপ্লববাদ ও রাজনৈতিক নৈতিকতা নিয়ে এক গভীর বিতর্কের ক্ষেত্র। 

২০২৬ সালে পথের দাবীর শতবর্ষে শরৎচন্দ্রের এই রাজনৈতিক জগত আবার নতুন করে সিনেমার আলোয় ফিরছে। সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘Emperor vs Sarat Chandra’ সরাসরি ১৯৭৭ সালের ‘সব্যসাচী’র পুনর্নির্মাণ নয়। বরং শরৎচন্দ্র, তাঁর সময়, ঔপনিবেশিক বাংলার রাজনৈতিক আবহ, পথের দাবীর সৃষ্টি এবং ব্রিটিশ সরকারের নিষেধাজ্ঞা—এই বৃহত্তর পরিসরেই ছবিটির নির্মাণ। সাম্প্রতিক প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ছবিতে শরৎচন্দ্রের চরিত্রে আবির চট্টোপাধ্যায় এবং সব্যসাচীর চরিত্রে টোটা রায়চৌধুরী রয়েছেন। অর্থাৎ এবার শুধু সব্যসাচীকে দেখা নয়; যে সময় সব্যসাচীকে জন্ম দিয়েছিল, সেই সময়কেও দেখার চেষ্টা।

এখানেই শতবর্ষের নতুন চলচ্চিত্রটির তাৎপর্য। ১৯৭৭-এর ‘সব্যসাচী’ মূলত উপন্যাসের কাহিনিকে কেন্দ্র করে দর্শককে বিপ্লবীর জগতে নিয়ে গিয়েছিল। নতুন ছবির পরিসর আরও বিস্তৃত—শরৎচন্দ্র নিজে, তাঁর সময় এবং একটি উপন্যাসকে ঘিরে ঔপনিবেশিক সরকারের আতঙ্কও সেখানে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। 

একশো বছর পরও কেন প্রাসঙ্গিক? একশো বছর আগে শরৎচন্দ্র যে প্রশ্ন তুলেছিলেন, তা আজও সম্পূর্ণ পুরোনো হয়ে যায়নি। সময় বদলেছে, রাষ্ট্র বদলেছে, সমাজ বদলেছে, প্রযুক্তি বদলেছে। কিন্তু স্বাধীনতা, ন্যায়, মানুষের মর্যাদা, শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এবং নিজের পথ নিজে বেছে নেওয়ার অধিকার—এই প্রশ্নগুলির বয়স হয় না। পথের দাবী নিষিদ্ধ হয়েছিল, কিন্তু তার কাহিনি থামেনি। বই থেকে সিনেমায়, বাংলা থেকে হিন্দিতে, এক প্রজন্ম থেকে আর এক প্রজন্মে সব্যসাচী বারবার ফিরে এসেছেন।

১৯২৬—পথের দাবীর গ্রন্থপ্রকাশ।

১৯২৭—ব্রিটিশ সরকারের নিষেধাজ্ঞা।

১৯৪৭—বাংলা সিনেমায় পথের দাবী

১৯৪৮—হিন্দি সিনেমায় ‘সব্যসাচী’।

১৯৭৭—উত্তমকুমারের অমর সব্যসাচী।

২০২৬—শতবর্ষে শরৎচন্দ্র ও তাঁর সময়কে নতুন করে পর্দায় ফিরে দেখা। 

সাহিত্য সময়কে প্রশ্ন করে, সিনেমা সেই সময়কে দৃশ্যমান করে। পথের দাবীর শতবর্ষে তাই সাহিত্য ও চলচ্চিত্রের এই দীর্ঘ সহযাত্রার দিকে ফিরে দেখা জরুরি। শরৎচন্দ্রের সব্যসাচী আজ আর অন্ধকার গলিতে ছদ্মবেশে পুলিশের চোখ এড়িয়ে ছুটে বেড়ান না। কিন্তু তাঁর প্রশ্নটি এখনও আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে—স্বাধীনতা কি শুধু শাসকের হাত বদল, নাকি মানুষের নিজের পথ বেছে নেওয়ার অধিকার?

একশো বছর পরেও সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হয়। আর সেই কারণেই পথের দাবী শুধু অতীতের একটি উপন্যাস নয়—এখনো সে পথেরই দাবি।

দীপক সাহা : প্রাবন্ধিক ও শিক্ষক

আরও পড়ুন