সক্রেটিস, প্লেটো, এরিস্টটলের স্মৃতিধন্য এথেন্সে

মার্চ ২০২৬। অবশেষে অনেক ঝড়-ঝঞ্ঝা পেরিয়ে গ্রিসে পা রাখি। রাজধানী এথেন্সের নামকরণের পেছনে রয়েছে গ্রিক দেবী এথেনার নাম। এথেন্সের মূল আকর্ষণ এক্রোপলিস থেকে হাটা দূরত্বে ওমানিয়ার অবস্থান। আমাদের হোটেল ওমানিয়ায়। দুপাশে পুরাতন ভবন, মাঝে সরু গলি পথ। ওমানিয়া পুরাণ ঢাকার কথা মনে করিয়ে দেয়। আশেপাশে বাংলা লেখা অনেক সাইনবোর্ড নজরে পড়ে। শুরুতে অবাক হই বটে। পরে অবশ্য জানতে পারি, শহরের এই অংশে অনেক বাংলাদেশি মানুষের বাস। অনেকে ওমানিয়াকে এথেন্সের ইস্ট-লন্ডন হিসেবে চিনে। এই এলাকায় হোটেল বুকিং দিয়েছে বলে টুর এজেন্টকে মনে মনে ধন্যবাদ দিই। হোটেলে চেক ইন করে রাতের খাবারের জন্য বের হই। আগের ৫/৬ দিন সেই অর্থে দেশী খাবার পাইনি। প্যরিস-জুরিখ হয়ে ঢু মেরেছিলাম রোমেও। সময়ের অভাবে রোমেও দেশী খাবার জুটেনি। ঢাকা থেকে প্যারিস যাওয়ার পথে ঢাকা টু আদ্দিস আবাবার ফ্লাইটে পরিচয় হয়েছিল এথেন্স প্রবাসী পাবনার নাসির ভাইয়ের সাথে। উনি সোহেল ভাইয়ের খোঁজ দেন। এথেন্সে আসার আগেই সোহেল ভাইয়ের সাথে আলাপ করে নিই। ওমানিয়ার বাংলা গলিতে সোহেল ভাইয়ের ভাতের হোটেল। গিয়ে দেখি আস্ত মাছ ভুনা, গরুর বট, ডাল সাথে সাদা ভাত নিয়ে বসে আছেন তিনি। বিদেশ বিভূঁইয়ে পিউর বাংলাদেশি খাবার। যেন আমাদের সামনে অমৃত রাখা, ইচ্ছেমত খাই। কয়েক দিন না খেলে সাদা ভাতও মাদকের মত টানে, সেদিন বুঝেছি।

ইউরোপিয়ানরা আদবে লেহাজে অনেক উন্নত। পাশের যাত্রীর সমস্যার কথা ভেবে জোরে কথা বলে না, উচ্চস্বরে গান বাজায় না। এমনকি ওদের হাসিরও একটা মাত্রা থাকে। অবশ্য এথেন্সের প্লেনে উঠে এর ব্যত্যয় চোখে পড়ে। ফ্লাইটে মনির ও আমার সিট পড়ে আলাদা সারিতে। আমার পাশে বসেছে একটি কাপল। দুজনের বয়স ত্রিশের নিচে হবে। দেখে মনে হয়েছে, প্রেম-রসায়ন কেবলই জমে উঠছে। ফ্লাইট ছাড়ার সাথেই আলতো করে চুমু খেয়ে উদযাপন করে নেয়। এরপর চলে তুমুল আলাপ। সম্ভবত ওরা গ্রীক, একটা শব্দও বোঝার উপায় নেই। আর আলাপের ফাঁকে প্রায়ই কিস-ব্রেক নেয়। অবশেষে এথেন্স এয়ারপোর্টে ফ্লাইট ল্যান্ড করলে ওসব দৃশ্যমালা থেকে নিস্তার মিলে। এয়ারপোর্ট থেকে বাসে উঠি। এথেন্স প্রায় ৪০ কিলোমিটারের পথ। বসার সিট পাইনি, দাঁড়িয়ে আছি। ফ্লাইটের ওঠার আগে রোমের লিউনার্দো দা ভিঞ্চি-ফিউমিচিনো এয়ারপোর্টে ‘সোফিয়া লরেন’ পিজ্জা খেয়েছিলাম। বাসে উঠে ভীষণ পানির পিপাসা লেগে যায়। সাথে পানি নাই। ননস্টপ বাস সার্ভিস, হেল্পার কন্ডাক্টরও নাই। সহকর্মী মনির আমার অবস্থা দেখে বিচলিত হয়ে পড়ে। দুইজন বাস যাত্রীর কাছে জিজ্ঞেস করি, সাথে পানি আছে কিনা। ওদের কাছেও নেই। অবশেষে বাস এথেন্সের প্রাণকেন্দ্র সিনতাগমা স্কয়ারে নামিয়ে দেয়। নেমে আগে পানি খেয়ে নিই। আহ কী শান্তি। বাস স্টপেজের পাশে সারি সারি ট্যাক্সি দাঁড়ানো। সিরিয়ালের ট্যাক্সির সামনে দাঁড়াই। স্টিয়ারিং বসা এক বয়স্ক মহিলা। হোটেলের নাম শুনেই বলে, খুব কাছে। হেটে চলে যাও। আমরা বেশ টায়ার্ড ছিলাম। ট্যাক্সিতে যাবো। ও ভেবেছে আমরা ওর কথা বুঝিনি। আবারও বলে, শুধু শুধু ইউরো খরচ করো না। হাঁটতে পারবো না, ট্যাক্সিতেই যাবো। এরপর বুড়ি তাঁর গাড়িতে উঠায়। কোন দেশ থেকে এসেছি, জানতে চায়। বাংলাদেশের নাম বলতেই চিনতে পারে। অনেক বছর আগের কথা। বুড়ির স্বামী জাহাজে কাজ করত। একবার চিটাগং গিয়েছিলো। তখন স্বামীর কাছে বাংলাদেশের গল্প শুনেছে। কয়েক মিনিটের মধ্যে আমরা মেরিনা এথেন্সে পৌঁছে যাই। হোটেলে উঠে চেক ইন করি।

২।
পরের দিন সকালে নাস্তা সেরেই বের হয়ে পড়ি। বাংলা গলি ধরে মিনিট পনের হাটার পর বহুল কাংখিত স্থাপনার কাছাকাছি চলে আসি। এই সেই স্থান যেখান থেকে উদ্ভব হয়েছে আধুনিক দর্শন, রাজনীতি, অর্থশাস্ত্রের; এমনকি আধুনিক শিল্প, সাহিত্য, নাট্যচর্চারও। আহ থেকে প্রায় ২৬০০ বছর আগের কথা। পৃথিবীর বেশিরভাগ অংশে যখন চলছিলো রাজা বাদশা, সম্রাট কিংবা পিশাচ শাসকদের শাসন, সে সময় এথেন্সে গণতন্ত্রের চর্চা শুরু হয়। এই মাটির নিশ্চয় কোন অদ্ভুত ক্ষমতা ছিল। আমার আর তর সইছিলো না। মনিরকে পিছনে ফেলে আগোরার পথ ধরে উঁচু পাহাড়ে উঠে যাই। হ্যাঁ, আমি এক্রোপলিসের সামনে গিয়ে দাঁড়াই। পাশেই পার্থেনন। দেবী এথেনার প্রতি ভক্তি ও প্রার্থনার প্রতীক হিসেবে অ্যাক্রোপলিসের চূড়ায় মাথা তুলে দাঁড়ায় পার্থেনন। বিশালাকার উঁচু পিলার দিয়ে তৈরি এই পার্থেনন সেই সময়ের এথেন্সের সম্পদ, সামরিক শক্তি, শিল্প, স্থাপত্য ও রাজনৈতিক মর্যাদারও প্রতীক ছিল। সবাই বিশ্বাস করত শুধু দেবী এথেনাই পারে শহরকে রক্ষা করতে। দেবী এথেনার কাছে আছে যুদ্ধ জয়ের কৌশল, তিনি জ্ঞানের সাগর, একই সাথে অর্থনৈতিক উন্নতির চাবি কাঠি। সময়ের সিঁড়ি ধরে যদি পিছনে তাকাই একে একে সেসব চিত্র চোখের সামনে ধরা পড়বে।

যিশু খ্রিস্টের জন্মের ৬০০ বছর আগের কথা। আগোরার আশপাশে আইন, ঋণ ও নাগরিক অধিকার নিয়ে বিস্তর আলোচনা চলছে। এথেন্সের রাজনৈতিক জীবনে তৈরি হচ্ছে নতুন ভিত্তি যা সোলনের সংস্কার নামে পরিচিত। এথেন্সের নাট্যোৎসবে থেসপিসের নতুন অভিনয় রীতি চালু হচ্ছে। দলগতভাবে দেবদেবীর বন্দনা সংগীতের বদলে একক চরিত্র ও অভিনয়ের নতুন দিগন্ত তৈরি হয় যা ছিল যুগান্তকারী পরিবর্তন। পরবর্তীতে এস্কিলাস, সোফোক্লিস, ইউরিপিডিস ও অ্যারিস্টোফেনিসের হাতে নাট্যমঞ্চ হয়ে উঠে মানুষ ও সমাজের দর্পণ। একই শতকে আরও একটি যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা হয়। নাগরিকের অংশগ্রহণের নতুন কাঠামো, এর ফলে গণতন্ত্রের ভিত্তি আরও মজবুত হয়। খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতকে পারস্য কর্তৃক এথেন্স আক্রান্ত ও ধ্বংস হয়ে পড়ে। সেখান থেকে আবার ঘুরে দাঁড়ায় এথেন্স। এই শতকের শেষ দশকে এথেন্সের আগোরায় খালি পায়ে হাঁটতে দেখা যায় এক যুবককে। এই যুবকের আগে চিন্তাবিদেরা ব্যস্ত ছিলেন মহাবিশ্ব, প্রকৃতি এবং বস্তুজগত নিয়ে। এই যুবক প্রথম দর্শনকে আকাশ থেকে মাটিতে নামান। তার আলোচনার মূল বিষয় হয়ে ওঠে—নৈতিকতা, ন্যায়বিচার, সত্য, মানব চরিত্র, ইত্যাদি। আগোরার সামনে দিয়ে হেটে যেতে আমার ভাবনায় এসেছে, এই পথে একদিন সেই যুবক অর্থাৎ সক্রেটিস খালি পায়ে হেঁটেছেন। হাঁটতে হাঁটতেই একজনকে বলছেন, ‘আমি শুধু এটুকুই জানি যে, আমি কিছুই জানি না’। আগোরার একপাশে বসে আলাপ করছেন হোমারের অমর সৃষ্টি ইলিয়াড ও অডিসি নিয়ে। শেষে সত্য ও ন্যায়ের জন্য জেনে শুনে হেমলক পান করে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। এই মাটিতে জন্মেছেন সক্রেটিসের শিস্য প্লেটো, গড়ে তুলেছেন একাডেমি-যেখানে দর্শন, জ্ঞান ও রাষ্ট্র নিয়ে শুরু হয় গভীর অনুসন্ধান। তরুণ অ্যারিস্টটল এলেন একাডেমিতে। তিনি এথেন্সে লাইসিয়াম প্রতিষ্ঠা করেন; যুক্তি, নৈতিকতা, রাজনীতি, প্রকৃতি ও জ্ঞানচর্চাকে নিয়ে যান নতুন এক উচ্চতায়। আজকের এক্রোপলিসে হাঁটলে তাই মনে হয়—পাশ দিয়েই হয়তো হেঁটে যাচ্ছেন সক্রেটিস; একটু দূরে প্লেটো; আর কোনো এক পথ ধরে ছাত্রদের সঙ্গে হাঁটছেন অ্যারিস্টটল। আগোরার কোথাও চলছে বিতর্ক, কোনো মঞ্চে নাটক, আর এক্রোপলিসের পাথরে পড়ছে বিকেলের রোদ।

৩।
এক্রপোলিসে অনেক টুরিস্ট। উপরেই মার্কিন মুল্লক থেকে আসা বাংলাদেশি ছেলে মিনহাজের সাথে দেখা হয়। হেটে হেটে পূরাটা দেখি। পাশেই প্রাচীন অলিম্পিক স্টেডিয়াম। এখনও বেশ অক্ষত আছে। প্রাচীন আমলে দেবতা জিউসের সম্মানে অলিম্পিকের প্রচলন শুরু হয়েছিলো। সেটার স্মরণে এখান থেকে আধুনিক অলিম্পিকের শুরু হয় ১৮৯৬ সালে। এক্রপোলিস থেকে সিনতাগমা, মাঝে প্লাকা, হেরোডিয়ান চত্বরে আমাদের একটা পূরা দিন কেটে যায়। পথে পথে ফুল দিয়ে সাজানো খাবারের দোকান। আনন্দঘন পরিবেশ। টায়ার্ড হলে এক জায়গায় বসি। একটু পর পর রাস্তার পাশে নতুন কেউ হয় গান গাইছে, নয়ত মিউজিক বাজাচ্ছে। টুকটাক কেনাকাটা করি। এক্রপোলিস থেকে নামার পথেই গ্রিক কবি ওদিসিয়াস এলিতিসের মিউজিয়াম চোখে পড়ে। তিনি ১৯৭৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। এটা তাঁর বাড়ি না, একটি প্রাচীন ভবন মিউজিয়াম হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। টিকেট কেটে ভিতরে প্রবেশ করি। কবির অনেক সাহিত্য কর্ম রয়েছে, আছে অনেক স্মৃতিচিহ্ন। সুভেনির হিসেবে তাঁর লেখা একটা বইও কিনি।
আগের দিন রাতে আমাদের হোটেলের পাশে মজার ঘটনা ঘটে। সোহেল ভাইয়ের হোটেল থেকে খেয়ে ফিরছি। আমাদের হোটেলের পাশেই লোকজনের ভিড়। হোটেলের কাছ পর্যন্ত পুলিশ ঘিরে রেখেছে। ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ি রেডি। জনসাধারণের চলাচল সীমিত করেছে। সাহস নিয়ে এগিয়ে যাই। পুলিশি ঝামেলা হলে বলবো, আমরা টুরিস্ট, নিয়ম কানুন কিছুই জানি না। আসল ঘটনাস্থল দৃষ্টি সীমায় এসেছে। এক ছেলে ৩ তলার বারান্দায় এসে অনবরত নিচে লাফ দেয়ার হুমকি দিচ্ছে। মোবাইলে বের করে সাবধানে ভিডিও করি, ছবি তুলি। পুলিশ নিচে নরম জাজিম বিছিয়েছে। তার উপর জাল। পুলিশ হ্যান্ডমাইকে বারংবার নিষেধ করছে, পাগলামি না করতে। মনে হচ্ছে এই বুঝি লাফ দিবে, দিচ্ছে. কিন্তু লাফ দিচ্ছেও না। চোখের সামনে এমন রোমাঞ্চকর মঞ্চ। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেও কোন লাভ হয় না। ঘটনা অমীমাংসিত রেখে হোটেলে ফিরি। পরের দিন পাশের এক দোকানে ঢুকেছি। একজনকে জিজ্ঞেস করলাম। গতকাল কি হয়েছিলো। মাল বেশি খেয়ে ফেলেছিল। মাতাল হয়ে আত্মহত্যার হুমকি দিচ্ছিল। অতটুকুর জন্য সেই হুলুস্থুল কাণ্ড, মনে মনে বলি।

৫।
পরদিন সকালে হোটেলের সামনে গাড়ি চলে এসেছে। ঐ গাড়িতে এয়ারপোর্ট যাবো। গাড়ির ড্রাইভার তাঁর নাম বলল। বেশ কঠিন, এখন আর মনে নেই। ইউকে-তে ভাসিলিয়স নামে আমার এক গ্রীক সহপাঠী ছিল। ড্রাইভারের নাম আপাতত ভাসিলিয়স রাখলাম। গাড়িতে চড়ে বসেছি। ভাসিলিয়স বেশ মিশুক। সে বলল, তোমাদের মত টুরিস্ট আসে বলে আমাদের কর্ম আছে। ২০০৮ এ অর্থনীতি একদম ধসে পড়েছিল। এখনও অর্থনীতি বেশ খারাপ। ভাসিলিয়স দেশের রাজনীতিবিদদের উপর ভীষণ বিরক্ত। অনেক কাজ আছে গ্রীকরা করবে না, সেরকম কাজ প্রবাসীরা করছে। বাংলাদেশি প্রবাসীদের নিয়ে বেশ পজিটিভ। ওর ব্যক্তি জীবন সম্পর্কে জানতে চাইলাম। খুব ব্যথিত মনে হল। দুই সন্তানকে নিয়ে নিজের বাড়িতে থাকে। ভাড়া থাকতে হলে কষ্টের শেষ ছিল না। আর তোমার স্ত্রী? জিজ্ঞেস করি। ৫ বছর হয় আমাদের ডিভোর্স হয়ে গেছে। গ্রিসের ফ্লাইটে আমার পাশের কাঁপলের কথা বললাম। এমনকি গত দুই দিন শহরে মানুষের উচ্ছ্বাস, প্রেমময় ছবির কথাও উল্লেখ করলাম। ভাসিলিয়স বলল, সব ঠিক আছে যদি তোমার কাছে ইউরো থাকে। গ্রিসের মেয়েরা ছেলেদের না, ওদের টাকাকে ভালবাসে। কেন এমন হয়? ভাসিলিয়স উত্তরে সোশাল মিডিয়ার কথা বলল। গ্রিসের মানুষ আমুদে। খেতে পছন্দ করে, ঘুরতে ভালবাসে। সোশাল মিডিয়া এসে সেটার এমন হাইপ তুলে দিয়েছে, এখন সামলানো কঠিন হয়ে গেছে। শর্টস, টিকটক, ইন্সটাগ্রাম এসে সামাজিক কাঠামো ভেঙ্গে ফেলেছে। পার্টনারের অবস্থা একদম বুঝতে চায় না। অন্য কাউকে পেলেই ছেড়ে চলে যাচ্ছে। ভাসিলিয়সকে বিদায় জানিয়ে এয়ারপোর্টে প্রবেশ করি। বোর্ডিং পাশ নেয়ার জন্য তার্কিশ এয়ারলাইন্সের কাউন্টারের দিকে এগুতে থাকি। আরেক সফরসঙ্গী ও টিম লিডার মাহবুব রাসেলও উড়ে আসছে সুইজারল্যান্ড থেকে। আমরা এদিক সেদিক ছুটে বেড়ালেও মাহবুব এই কয়দিন ভূস্বর্গ সুইজারল্যান্ডের রুপ-সুধা পান করেছে। ইস্তানবুলে ওর সাথে সাক্ষাৎ হবে। একই ফ্লাইট ধরে ঢাকা ফিরবো।
