কবি, লেখক ও সাংবাদিক হাবীব ইমন আর নেই

কবি, লেখক ও সাংবাদিক হাবীব ইমন আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে ৯টার দিকে খিলগাঁওয়ের নিজ বাসভবনে অসুস্থ হয়ে পড়েন হাবীব ইমন। পরে খিলগাঁওয়ের খিদমাহ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা মেইলে হাবীব ইমনের ভগ্নিপতি মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর তিনি শারীরিক অসুস্থতা বোধ করেন। পরিবারের সদস্যরা তাকে অচেতন অবস্থায় দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। ঢাকায় খিলগাঁও মসজিদুল আমান জমে মসজিদে বাদ জোহর প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী মাইজদীতে দ্বিতীয় জানাজা ও দাফন করা হবে।

হাবীব ইমন বিজয় ফুলের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। এছাড়া নিয়মিত বইচারিতায় কলাম, গল্প ও কবিতা লিখেন। তিনি সবার কাছে একজন রাজনৈতিক কর্মী, সাংবাদিক, কবি ও লেখক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বিশেষ করে কলাম লেখক হিসেবে সমকালীন বিষয়ে তার বিশ্লেষণধর্মী লেখাগুলো পাঠকমহলে বেশ সমাদৃত ছিল। এছাড়াও তিনি বামধারার যুব গণসংগঠন বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা মহানগরের সাবেক সভাপতি ছিলেন। 

হাবীব ইমন জন্মগ্রহণ করেন নোয়াখালীর মাইজদীতে। হাবীব ইমনের বাবা খলিলুর রহমান, মা খালেদা পারভীন। ৩ ভাই ১ বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়।

বেশ কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ ও প্রবন্ধের বই রয়েছে। তার একটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রকাশিত হয়েছে। সৃজনশীল লেখালেখির স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৮ সালে পশ্চিমবঙ্গে সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ছাত্র-যুব উৎসবে তিনি বিশেষ সংবর্ধনায় ভূষিত হন। স্বপ্ন ‘৭১ প্রকাশন থেকে ‘সমাজতন্ত্রে বঙ্গবন্ধু’ বইটি প্রকাশিত হয়।

পড়ুন:
ধূসর শরৎ
সময়ের সাহসী নায়ক প্রফেসর আবদুল জলিল
রবীন্দ্রনাথ-নজরুল-সুকান্ত : বাংলা চেতনার ত্রিকোণ
আম্মা, ও আম্মা
তুমিও আমার মতো হয়ে গ্যা্লে!
আড়ালে থাকা এক বিস্মরণ বিপ্লবীর কথা
কেমন হওয়া উচিত ছাত্ররাজনীতি
নূর হোসেনের গণতন্ত্র কি মুক্তি পেয়েছে?
কার নির্দেশে খালেদ, হুদা এবং হায়দারকে হত্যা করা হয়েছিল?









আরও পড়ুন