বিধাননগর জাতীয় মহিলা নাট্যোৎসবে ইস্পাতের অভিনব কর্মসূচি

‘নাট্যচর্চায় উৎসাহ দিতে এবং বিশেষ করে মহিলাদেরকে আরও সচেষ্ট করে তুলতে এই উদ্যোগ। প্রথম বছর এই রকম একটা উদ্যোগ নিতে গিয়ে খানিকটা চিন্তায় ছিলাম। পুরো মহিলাদের নাটকের দল পাওয়া সত্যিই খুব কঠিন কাজ ছিল। কিন্তু সকলের উৎসাহ ও উদ্দীপনা আমদের সাহস জুগিয়েছে।’

এমন কথা বলেন বিধাননগর জাতীয় মহিলা নাট্যোৎসবে সাংস্কৃতিক সংগঠন ইস্পাতের সাধারণ সম্পাদক রীতেশ বসাক।

অতীতে এই রকম প্রয়াস হয়েছে বলে মনে পড়ে না। ২৫-২৯ ডিসেম্বর ৫ দিনে ব্যাপী, ১৪টি নাটকের দল ও ১০ টি নাটকের গানের দল অংশগ্রহণ করে। জাতীয় মহিলা নাট্যোৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন প্রবীণ নাট্য অভিনেত্রী অলকা গাঙ্গুলী। ছিলেন পূর্বাঞ্চল সংস্কৃতি কেন্দ্রেরসহ অধিকর্তা তাপস সামন্ত রায়। ইস্পাতের উপদেষ্টা সুব্রত ঘোষ।

অলকা গাঙ্গুলী বলেন, ‘আগে এই রকম অনুষ্ঠান খুব হতো। এখন এই প্রচেষ্টা প্রায় কমে এসেছে। আমাদের এই কাজকে চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’ ইজেডসিসির সহ অধিকর্তা তাপস সামন্ত রায় জানান, ‘ইজেডসিসি চায় এই রকম নাট্যোৎসব আরও বেশি করে হোক। ইজেডসিসি সব সময় পাশে থাকবে।’ ইস্পাতের উপদেষ্টা সুব্রত ঘোষ বলেন, ‘ইস্পাত যে উদ্যোগ নেয় তা দীর্ঘদিন চালিয়ে নিয়ে যাবার চেষ্টা করে। নাটকের নানা আঙ্গিক তুলে ধরা হয়েছে এই নাট্যোৎসবের মধ্য দিয়ে।’

সুদূর শিলিগুড়ি, আগরপাড়া, বেহালা, কাঁচরাপাড়া, সোনারপুর এবং বিধাননগরের বিভিন্ন নাটকের দল তাঁদের নাটক পরিবেশন করেন।

এছাড়াও ছিল বিভিন্ন গানের দল, যাঁরা নাটকে ব্যবহৃত গান পরিবেশন করেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লেখা নাটকের গান পরিবেশন করেন শিল্পীরা।

বিভিন্ন নাটকে ব্যবহৃত গান পরিবেশন করেন ছায়ানট (কলকাতা), রাম্যানি, গোধূলী আলো, কালাপী, আনন্দম, অদ্বিতীয়া, স্পন্দন, আহমণি, বাহারের শিল্পীবৃন্দ।

অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন মৌসুমী রায় চৌধুরী, শান্তা গাঙ্গুলী, অভিজিৎ চৌধুরী ও চিত্রা সরকার।

আগামী দিনে আরও বড় আয়োজনের কথা ভাবছেন ইস্পাতের সম্পাদক রীতেশ বসাক। এই পাঁচদিন ইজেডসিসি মঞ্চ মুখরিত হয়েছিল নাটক ও গানে।

আরও পড়ুন