বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব-৩২

সময়টা যেন হঠাৎ করে থেমে গেল! এমনটা হয় নি আগে। অন্তত সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে চলা ইন্সপেক্টর জিলানীর ক্ষেত্রে। তাই তো এ অবস্থাটা কেমন যেন অস্থির, অস্বাভাবিক এবং অস্বস্তিকর লাগছে তাঁর কাছে।
জিলানী অসুস্থ। ১০৩ ডিগ্রি জ্বর। সাজিয়া মনে করতে পারছে না জিলানীর সর্বশেষ কবে জ্বর হয়েছিল। কাল রাতে যখন ঘরে ফিরেছিলেন তখন ঘড়িতে একটা বাজে। আজ সকালেই তো নির্ধারিত ছিল জিলানীর অতি গুরুত্বপূর্ণ মিশন, এক বিশেষ অভিযান। সব কাজ স্থগিত। গতকাল রাতে যেসব জায়গায় ফোন করে অ্যাকশনের কথা বলা হয়েছিল, খুব সকালে সেসব জায়গায় আবার ফোন করে কর্মসূচি স্থগিত রাখার কথা বলা হয়েছে।
সাজিয়া তাদের ফ্যামিলি ডাক্তারকে ফোন করে আসতে বলেছে। তিনি চলেও এসেছেন। বেশ আন্তরিক ও সদালাপী এ ডাক্তার। বন্ধুর মতো। এসেই জিলানীর বাহুসন্ধির নিচে থার্মোমিটার লাগিয়ে দিলেন। এক মিনিট পর থার্মোমিটারের রিডিং দেখে জিলানীকে লক্ষ্য করে বললেন,
‘হুঁ, এখনও ১০২ এর উপরে। কিভাবে বাঁধালেন? কাল বৃষ্টিতে ভিজেছিলেন নাকি?’
জিলানীর মনে পড়ল, গতকাল যখন অফিসে কাজ করছিলেন তখন হঠাৎ মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। জানালা খোলা থাকায় বৃষ্টির আঁচলা ভেতরে এসে টেবিলের এক পাশ ভিজে যায়। জিলানী উঠে গিয়ে জানালাটা বন্ধ করার সময় তাঁর গায়ে বৃষ্টির ঝাপটা লেগেছিল। ফোঁটাগুলো ছিল বড় বড়। সেসময় দুয়েকটা হাঁচিও দিয়েছিলেন।
‘হ্যাঁ একটু ভিজেছিলাম।’ জিলানী বললেন।
একথা শুনে সাজিয়া অবাক হলো। সে বলে উঠল, ‘কিভাবে? তোমাকে তো কখনও বৃষ্টিতে ভিজতে দেখি নি। কতো বলি, বৃষ্টি নামছে চলো ছাদে যাই, একটু ভিজি ; কখনও তো যাও না। বরং মাঝে মাঝে আমিই বৃষ্টিতে ভিজি।’
‘কখনও ভেজে না বলেই হঠাৎ বৃষ্টিতে ভেজার জন্যই হয়তো জ্বরটা এসেছে। আচ্ছা, নাস্তা করে অষুধ খেয়ে নিন।’
ডাক্তার খাটের পাশের ছোট্ট টেবিলটাতে দু’রকম ট্যাবলেট রাখলেন।
‘নাস্তায় কি বার্লি দেবো না পাতলা জাউ?’ সাজিয়া জিজ্ঞেস করল।
‘উনি যা খেতে পারবেন তাই দিন। ধরা-বাঁধা কোন খাবার নেই।’ ডাক্তার জানালেন।
‘ডিম-রুটি খেতে পারবে?’
‘কেন পারবে না! যা খেতে তাঁর অস্বস্তি হবে না তাই দিতে পারবেন। অসুস্থ হলে পুষ্টিকর খাবারই তো দরকার। আর হ্যাঁ, আজ রাতের মধ্যে যদি জ্বরের রিমিশন না হয় তাহলে সকালে খালি পেটে রক্ত পরীক্ষা করতে হবে। আমাকে অবস্থাটা জানাবেন, ভাবি।’
‘আচ্ছা।’
ডাক্তার চলে গেলেন।
একের পর এক ফোন আসছে। সব ফোনই স্ত্রী সাজিয়া রিসিভ করছে। জিলানীর খবর নেয়ার জন্য আত্মীয় স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের ফোন। একটু আগে তাঁর নিজের বস এসএস (ক্রাইম) সাহেবও ফোন করে শারীরিক অবস্হা জানতে চেয়েছেন। কিছু পরামর্শও দিয়েছেন। এইমাত্র জিলানীর বিশ্বস্ত দুই সহযোগী সোহরাব ও রাইস বাসায় চলে এসেছে।
এতো এতো মানুষ তাঁর খোঁজ নিচ্ছে, এটা জিলানীর কাছে বেশ ভালোই লাগছে। মানুষের খোঁজ তো মানুষই নেবে। প্রয়োজনের সময় যারা খোঁজ খবর নেয়, পাশে থাকে, হৃদয় তো তাদেরকেই ধারণ করে। সোহরাব ও রাইসকে জিলানী বেডরুমে ডাকলেন। যদিও সাজিয়া এটা চাইছিল না। সাজিয়া চায় তার স্বামীর আজকের দিনটা পূর্ণ বিশ্রামে কাটুক।
‘স্যার এখন কেমন লাগছে ?’ সোহরাব জিজ্ঞেস করল। রাইস তার পাশেই রয়েছে।
‘গা একটু গরম। এমনিতে ভালোই আছি। তোমাদের ভাবি তো বিছানা থেকেই নামতে দিচ্ছে না!’ জিলানী বললেন।
‘দরকার নেই স্যার। ফুল রেস্টে থাকুন। একটু আরাম দরকার।’ রাইস বলল।
‘আরাম ! কত কাজ পেন্ডিং রয়েছে। আজকের গুরুত্বপূর্ণ মিশনে যেতে পারলাম না। শোনো রাইস, জেরিনদের বাড়ির দিকে কিন্তু তুমি নিজে এবং জুনিয়রদের মাধ্যমে ফুল টাইম নজর রাখবে।’
‘জী স্যার, সেভাবেই ওয়াচ রাখছি। আপনি এ নিয়ে টেনশন করবেন না।’
‘নিধিকে বিশ্বাস করা যায় না। তার সাথে মি: টিটির সম্পর্কটা সর্বক্ষণ মাথায় রাখতে হবে। গেটে চার পুলিশ দুই ওয়াচার আছে তো?’
‘জী স্যার, ওরা সব সময় গেটে পাহারা দিচ্ছে। গেটের পাশে একটা ছোট তাঁবুর মতো টানিয়েছে। থানা থেকে খাবার দিয়ে যাচ্ছে। এসআই রাজীবও সকাল-সন্ধ্যা ফোন করে খোঁজ নিচ্ছে।’
‘হ্যাঁ, রাজীব আমাকেও ফোন দেয়। একটু আগে ওসি সাহেবও কল করেছিল। দে আর নাইস পিপল। সোহরাব, তুমি কি আসামি টিটি’র জামিন বাতিলের আবেদন দাখিল করেছো?’
‘জী স্যার, করেছি। আপনার জীপে গুলিবর্ষণ মামলার সর্বশেষ তথ্যও গতকাল কোর্ট ইন্সপেক্টর সাহেবকে দিয়ে এসেছি। মামলার ধার্য তারিখ আগামীকাল। সব আসামিকে কোর্টে হাজির করা হবে। জামিনের আবেদন আর জামিন বাতিলের আবেদনের শুনানি কাল হবে।’ সোহরাব বললো।
জিলানী এবার একটু টান হয়ে শুলেন। বললেন, ‘মাথাটা একটু ধরেছে।’
সাজিয়া এক পেয়ালা স্যুপ হাতে নিয়ে রুমে চলে এলো। জিলানীকে বলল,‘তুমি কি চাও না তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠো?’
‘নিশ্চয়ই। আমি তো এই মহূর্তেই পুরোপুরি সুস্থ হতে চাই সাজিয়া।’
‘তাহলে প্লিজ, আর ব্রেইনে চাপ নিও না।’
‘এখন আসি, ভাবি। কোনো জরুরি প্রয়োজন হলে ফোন দেবেন। আমরা তো খোঁজ নেবোই।’ এ কথা বলে সোহরাব ও রাইস বিদায় নিয়ে চলে গেলো।
সাজিয়া পেয়ালাটা জিলানীর মুখের সামনে ধরলো। তারপর টেবিল চামচে স্যুপ নিয়ে জিলানীকে খাইয়ে দিলো। এভাবে শিশুর মতো আদর পেয়ে জিলানী স্ত্রীর চোখের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলেন। সাজিয়াও মৃদু হাসি দিলো। সে লক্ষ্য করল, অসুস্থ জিলানীর হাসতে একটু কষ্টই হচ্ছে।
ধানমন্ডি সাত মসজিদ রোডর একটি নামী সুপারশপ। একটা রিক্সা দাঁড় করিয়ে ভেতরে ঢুকলো স্বর্ণা। এই রোড়েরই একটি বাড়িতে সে ছাত্রী পড়াতে আসে। টিউশন শেষে শংকর যাওয়ার পথে এখানে এসেছে পছন্দের চকলেট কিনবে বলে। শেলফের কাছে দাঁড়িয়ে সে চকলেট ধরে দেখছে, দেখছে তার গায়ে লেখা মূল্যটাও।
‘কেমন আছো ?’ কথাটা কানে যেতেই স্বর্ণা ঠিক পেছন ফিরে তাকালো। সুঠামদেহী এক অপিরিচিত যুবক। সে একটু বিব্রত বোধ করলো। চকলেটের একটা বার উঠিয়ে কাউন্টারের দিকে যেতে থাকলো। পেছন পেছন ট্রলি ঠেলে ঠেলে ওই যুবকটাও আসতে লাগলো। ব্যাপারটা স্বর্ণা বুঝতে পারছে না। তার কেমন যেন ভয় ভয় করছে। কাউন্টারে স্বর্ণার পরেই যুবকটা দাঁড়ানো। বলল, ‘ডোন্ট মাইন্ড, ওটা আমি পে’ করে দেবো। তুমি যাও। একটাই তো চকলেট।’ যুবক বলল।
‘না, থ্যাংকস্।’ এ কথা বলে স্বর্ণা চকলেটের দাম চুকিয়ে সামনে এগুলো। সেখানে নতুন আগত এক সেট নেইল পুলিশ দেখে দাঁড়াল। কয়েকটা নেড়চেড়ে স্বর্ণা বের হয়ে এলো। দেখে, সেই যুবকটা মোটরবাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে। সে স্বর্ণার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘তোমার নামটা যেন কী ?’
স্বর্ণা কোন জবাব দিলো না। যুবকটা এবার বলল,‘নামটা ঠিক মনে পড়ছে না। তুমি পিন্টুর বোন তো?’
স্বর্ণা বুঝলো সে ভাইয়ের পরিচিত। এবার সে জবাব দিল,‘জী।’
‘যদি আপত্তি না থাকে, তোমাকে শংকর পৌঁছে দিই।’ যুবকটা বলল।
‘না, আমার রিক্সা দাঁড়িয়ে আছে।’
কথাটা বলেই স্বর্ণা গিয়ে অপেক্ষমান রিক্সায় উঠল। রিক্সার ভেতর থেকে সে যুবকটির দিকে না দেখার ভাণ করে একটু তাকালো। দেখলো, সে মোটরবাইকে বসে তার দিকে তাকিয়ে আছে। স্বর্ণার রিক্সা চলতে শুরু করল।
‘ওকে। ভালো থেকো।’ কথাটা বলে শোভন একটা হাসি দিয়ে যুবকটি মোটরবাইক নিয়ে চলে গেল।
রিক্সায় বসে স্বর্ণা ভাবতে শুরু করল। ব্যাপারটা কেমন যেন রহস্যজনক! কে ওই যুবক? আমি চিনি না, অথচ আমাকে চেনে! অবশ্য শেষদিকে হাসিটা দেখে মনে হচ্ছে তাকে দেখেছি কোথাও। মনে হচ্ছে যেন তার সাথে কথাও হয়েছে। ভাইকে সে চেনে। আমাদের বাসা শংকরে তাও জানে। কোথায় দেখেছি তাকে? কখনও কি আমাদের বাসায় গেছে? উঁ…হ্যাঁ, এইবার মনে পড়েছে। ওমা! তাই তো বলি তাকে কেন চিনতে পারছি না! তখন সে ছিল ইউনিফর্মে, আজ দেখতে পেলাম সাদা পোশাকে। আরে, উনি তো পুলিশের এসআই রাজীব!
রাত ১২টা পেরিয়ে গেছে। নৈশব্দ চারিদিকে। শুধু ঝিঁ ঝিঁ পোকার ডাক শোনা যায়। জেরিনদের বাড়ির ফটকে কর্তব্যরত রয়েছে নিরাপত্তা কর্মীরা। বাড়ির ভেতরে পিন পতন নীরবতা। যে যার কক্ষে ঘুমিয়ে আছে। কেবল জেরিনের রুমের সামনে রয়েছে দুই মহিলা ওয়াচার, একজন জাগ্রত আরেকজন ঘুমন্ত। জেরিনের রুমে সেবায় নিয়োজিত রয়েছে আয়া। সেও ঘুমিয়েছে। বাইরে কুকুরের কান্নার আওয়াজ শোনা যাচ্ছে।
ম্যাড় ম্যাড় করে একটা শব্দ হলো। জেরিন শুনলো তার রুমের বাইরে এক অস্ফুট চিৎকার! খটাখট আওয়াজ করে রুমের দরজাটা খুলে গেল। জেরিন চোখ তুলে তাকাল। জেরিন অবাক! এ কী দেখছে সে! তার বাবা জনাব রেজাউদ্দিন দরজা ধরে দাঁড়িয়ে! বাবার পেছনে এক লোক হাত দিয়ে তাঁর বাহু ধরে রেখেছে। লোকটা অপিরিচিত। জেরিন উচ্চস্বরে ‘বাবা’ বলে ডাক দিলো। সাথে সাথে তার শরীরে প্রচণ্ড শক্তি ভর করল। সে নিজেই শয্যা থেকে উঠে বসল।
জেরিনের বাবা চিৎকার করে মেয়েকে কিছু বলার চেষ্টা করছে, কিন্তু তাঁর কোনো কথাই বোঝা যাচ্ছে না। তাঁর বয়স যেন আরও বিশ বছর বেড়ে গেছে! জেরিন ভাবল, শয়তানের বাচ্চারা তার অসুস্থ বাবাকে না জানি কোনো ভয়ানক জায়গায় এবং ভীষণ কষ্টদায়ক অবস্থায় লুকিয়ে রেখেছিল! বাবার চোখে পানি, মেয়ের চোখেও গড়িয়ে পড়ছে জল।
পেছনের লোকটা এবার বাবাকে নিয়ে জেরিনের রুমের ভেতরে ঢুকলো। তার হাতে বড় একটা ধারালো ছোরা। হঠাৎ সে অদ্ভুত বাজখাই গলায় বলে উঠল, ‘চুপ! আর কোনো কথা না! কোনো কান্নাও চলবে না।’
এটা দেখে আয়া বলল,‘আপনে কেমনে ঢুকলেন ? দরজায় না দুই আফা আছিল পাহারায়?’
লোকটা চেঁচিয়ে উঠল,‘ওই দুজনকে বেঁধে রেখেছি। আর পেলো না, মেয়ে মানুষ রেখেছে পাহারায়!’
আয়া সাহস নিয়ে বলল,‘গেটে তো ম্যালা পুলিশ। পার হইলেন কেমনে?’
লোকটা বলল, ‘গেট দিয়ে আসবো এমন বোকা আমরা না। পেছনের ফাটা দেওয়াল ভেঙে এসেছি।’
আয়া বলল,‘আপনারা কয়জন? ’
লোকটা বলল,‘তিনজন। একজন সিঁড়ির গোড়ায় আছে। আরেকজন গাড়িতে।’
আয়া বলল,‘ম্যাডামের বাবারে আইনা ভালো কাম করছেন। আনেন, ভেতরে আইনা খাটে বসান।’
লোকটা এবার ধমক দিয়ে উঠল,‘চুপ! আর একটা কথাও না।’ তারপর জেরিনকে বলল,
‘এই মেয়ে! নে, তোর বাবাকে দিয়ে যাচ্ছি। আর তোকে নিয়ে যাব। চল্ আমাদের সাথে!’
এবার জেরিন বেশ ভয় পেয়ে গেল। এ কী বলছে লোকটা! জেরিন তাকে কিছু কথা বলল, কিন্তু কোনো কথাই বোঝা গেলো না শুধু বাবা ডাক ছাড়া।
লোকটা রেজাউদ্দিন সাহেবকে জেরিনের বিছানায় বসাল। বাবা-মেয়ে পরষ্পরকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে শুরু করল। এটা দেখে আয়ার চোখও অশ্রুসিক্ত হয়ে উঠল।
লোকটা জেরিনকে তার বাবার বুক থেকে ছাড়িয়ে নিল। তাকে তুলে নেয়ার জন্য উদ্যত হলে আয়া এসে সর্বশক্তি দিয়ে বাধা দিলো। লোকটা আয়াকে ধাক্কা মেরে নিচে ফেলে দিল। আয়ার মাথা গিয়ে লাগলো দেয়ালের সাথে। সে তখনি ব্যথায় উফ্ করে উঠল।
লোকটা জেরিনকে জাপটে ধরল। এবার তাকে কাঁধে তুলবে। জেরিনও জোরাজুরি করতে লাগলো। চিৎকার দিতে লাগল। এসময় জেরিনের বাবা তাঁর ডান হাতে খাটের প্রান্তে থাকা কাঁচের জগটা ধরে লোকটার মাথায় আঘাত করল। সাথে সাথে সেই লোক তার হাতে থাকা ধারালো ছোরাটা রেজাউদ্দিন সাহেবের বুকে দিলো বসিয়ে। এটা দেখেই জেরিন ‘বাবা’ বলে একদম গলা ফাটিয়ে গগনবিদারী চিৎকার দিয়ে উঠল।
চিৎকার শুনে আয়া উঠে জেরিনের পাশে দাঁড়াল। হুড়মুড় করে উঠে গেল দুই লেডি ওয়াচার। নিজেদের পরিচয় দিয়ে দরজা নক করল। আয়া জেরিনের রুমের দরজা খুলে দিলে উভয়ে রুমের ভেতরে ঢুকল। তাদের একজন নিজের চোখ কচলাতে লাগল। আয়া ঘুমচোখে তার মুখ দিয়ে লম্বা হাই ছাড়তে শুরু করল।
জেরিন বিছানায় কিছুক্ষণ নিশ্চুপ হয়ে রইল। চোখ বড় বড় করে একবার এদিক আরেকবার ওদিক তাকাল। তারপর সে ‘বাবা’ বলে কাঁদতে লাগল।
দুই লেডি ওয়াচারের সিনিয়রজন জুনিয়রের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘জেরিন ম্যাডাম বোধ হয় কোন দুঃস্বপ্ন দেখেছে রে!’
[চলবে]
আরও পড়ুন :বিধ্বংসী প্রহর,পর্ব-১বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব- ২বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব- ৩বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব— ৪বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব— ৫বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব— ৬বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব— ৭বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব— ৮বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব— ৯বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব- ১০বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব— ১১বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব— ১২বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব— ১৩বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব— ১৪বিধ্বংসী প্রহর,পর্ব— ১৫বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব— ১৬বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব— ১৭বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব— ১৮বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব- ১৯বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব- ২০বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব—২১বিধ্বংসী প্রহর,পর্ব—২২বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব- ২৩বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব—২৪বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব- ২৫বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব- ২৬বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব- ২৭বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব- ২৮বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব- ২৯বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব- ৩০বিধ্বংসী প্রহর : পর্ব- ৩১
Craft narratives that ignite inspiration, knowledge and entertainment.
Proudly powered by WordPress | Walker News Template by WalkerWP
