বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব- ৩০

রাতটা ভীষণ বাজে গেছে নিধির। এক ফোঁটাও ঘুম হয় নি তার।
এতোদিন পর জেরিন ম্যাডাম এসেছে, তার অবস্থাটা জানবে, ম্যাডামের কী কী প্রয়োজন তা দেখবে, এই কষ্টের সময় তাকে সেবা দেবে এসবের কিছুই সে করতে পারছে না। দুই জন এসেছে মহিলা সিকিউরিটি, ভারী বজ্জাত ! জেরিন ম্যাডামের রুমে ঢোকা তো দূরের কথা, দরজার কাছাকাছিও ঘেঁষতে দিচ্ছে না। একেকটা ধমক দেয় কী, পিলে চমকে যায় ! অথচ নিজেরা ম্যাডামের দরজার সামনের স্পেসে একটা চাদর পেতে এবং সোফার পিল এনে সারারাত বসে কাটিয়েছে। আবার ভয়ও দেখায়, তাদের কাছি নাকি অস্ত্র আছে! যা হোক, দরকার নেই ওদের সাথে ঝামেলা বাঁধানোর। কিন্তু কথা হলো, ভাবনাতে কী ছিল আর কী হয়ে গেল! আজ অবধি যত ত্যাগ, যত সাধনা সবই হঠাৎ প্লাবনে ভেসে যাচ্ছে। শেষমেশ এ বাড়িতে আর থাকা হবে না হয়তো।
অবিশ্বাস্য ভালো গেছে জেরিনের রাতটা। নিজের বিছানায় সে আবার শরীর ছোঁয়াতে পারবে এ আশা ছেড়েই দিয়েছিল। কিন্তু কথায় বলে না ‘হয় তাহাই যাহা খোদা মঞ্জুর করেন’! এ জন্য জেরিন বার বার অন্তকরণে সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ দিয়ে যাচ্ছে, অপার কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে। তার বিশ্বাস, স্রষ্টা তাকে পুনর্জন্ম দিয়েছেন। কিন্তু একটা বিষয় তাকে ভাবিয়ে তুলছে। সিকিউরিটির মহিলারা তাকে না হয় রুমের ভেতরেই থাকতে বলছে, কিন্তু তার বাবাকে তো ফিরে পাওয়া মেয়েকে দেখানোর জন্য এ রুমে নিয়ে আসতে পারে!
জিলানী সকালের নাস্তার টেবিলে। কিছুটা খাওয়ার পর হঠাৎ উঠে বেডরুমের দিকে গেলেন।
‘কি, উঠে গেলে যে? নাস্তা খাবে না?’ সাজিয়া জিজ্ঞাসা করল।
‘আসছি।’ জিলানী উত্তর দিল।
বেডরুম থেকে ফিরে এসে জিলানী স্ত্রীর হাতে একটা খাম দিলেন। সাজিয়া খামটা হাতে নিয়ে একটা স্মিত হাসি উপহার দিলো। বলল,‘ঈদ বোনাসের টাকা তাই না?’
জিলানী কোন কথা বললেন না। চুপচাপ নাস্তায় মনোনিবেশ করলেন। সাজিয়া খামটা খুলল। দেখল ওটা একটা সরকারি পত্র। পত্রটা পড়ার পর বলল,‘এ দেখি তোমার বদলির আদেশ! বদলিকৃত স্থান- বিশেষ শাখা। মানে স্পেশাল ব্রাঞ্চে?’
‘হুঁ।’ জিলানী নিম্নস্বরে জবাব দিলেন।
সাজিয়া কিছুক্ষণ নীরব রইল। একটু ভাবল। তারপর মন্তব্য করল,‘আল্লাহ যা করে ভালোর জন্যই করে। যেভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছো সিআইডিতে! এসবিতে গেলে একটু আরাম পাবে। আসামি ধরার ঝক্কি থাকবে না, বড় বড় শত্রু বানানোর চান্স থাকবে না। আমার টেনশনও কমবে।’
জিলানী নিশ্চুপ। চায়ের কাপে চুমুক দিচ্ছে।
‘কী! তুমি কিছু বলছ না যে! বদলি আদেশ পেয়ে মন খারাপ করার তো কথা না। তুমি যেখানে বদলি করে সেখানেই যাও, এটাই তো দেখে আসছি!’ সাজিয়া বলল।
জিলানী চা শেষ করে বেডরুমে গেল। ব্রিফকেসটা হাতে নিয়ে দরজার কাছে এলো। সাজিয়াও এগিয়ে দিতে গেল।
‘বদলি নরমালি হয় নি। বদলি করানো হয়েছে। তুমি কি চাও তোমার স্বামী অন্যায়ের কাছে হেরে যাক?’ জিলানী ভারী গলায় বললেন।
‘না। কখনও না।’ সাজিয়ার ঝটপট উত্তর। এরপর বলল, ‘তোমার সম্মান আমার সম্মান, তোমার অপমান আমার অপমান।’
‘থ্যাংক ইউ।’ কথাটা বলে জিলানী নিচে চলে গেল। জীপে উঠল। সাজিয়া ব্যালকনিতে গিয়ে হাত নাড়ল। রোজকার মতো জীপটা যাচ্ছে সিআইডি অফিসে।
জিলানী মোবাইলে এসআই সোহরাবকে কল দিল।
‘রাতে খসরুকে কড়া ট্রিটমেন্ট দেওয়ার কথা ছিল। ওর সাত দিন রিমান্ডের চার দিনই তো চলে গেল! কী করলে?’ জিলানী সোহরাবকে বললেন।
‘স্যার আমি এখনই আপনাকে ফোন করতে যাচ্ছিলাম। খসরুকে যেভাবে ট্রিটমেন্ট দেওয়া দরকার সেভাই দিয়েছি। বুঝে ফেলেছি তার পাগলামিটা ভুয়া। সে এখন রাজী সব কথা বলার জন্য।’ সোহরাব বলল।
‘গুড। তাহলে কাজ হয়েছে। লাথির ভূত কি আর কথাতে মানে ! তার বক্তব্য রেকর্ড করে রেখো।’
‘একটা ব্যাপার স্যার!’
‘কী ?’
‘খসরু যা বলার শুধু আপনার কাছে বলতে চায়।’
‘কেন, তুমি কি ডোজ বেশি দিয়ে ফেলেছো?’ জিলানী একটু মজা করল। সোহরাবও হেসে বল,
‘স্যার, ধরেছেন ঠিকই।’
‘অলরাইট আমি অফিস আওয়ারের পরে আসবো। ওর সাথে যেন কেউ দেখা করতে না পারে।’
‘প্রশ্নই ওঠে না স্যার। কড়া নজরে আছে।’
‘তুমিও অ্যালার্ট থেকো। আর শোনো, রাইসকে বলো আমার সাথে কথা বলতে।’
‘জী স্যার।’
জিলানী লক্ষ্য করছেন যে একটা কালো রঙের প্রাইভেট কার সেই বেইলি রোডের ইউসুফ কনফেকশনারির কাছ থেকে ঠিক তার পেছন পেছন আসছে। জিলানীর গাড়ি ‘গাইড হাউজ’এর পাশে ব্রেক করল। কারটাও তার পেছনে দাঁড়ালো। জিলানীর জীপটা শান্তিনগর মোড়ে এসে আবার থামল। সেই কারটাও থামল। এবার জিলানী রিভলভারটা হাতে নিয়ে তাঁর জীপের দরজাটা খুললেন। তিনি নামতে না নামতেই কালো কারটা দ্রুত জীপের ডানদিকে কেটে সোজা চামেলীবাগের দিকে চলে গেলো। জিলানী মনে মনে বললেন— কাকে ভয় দেখাস, জিলানীকে? জিলানী ভয় পেয়ে সরে যাওয়ার মানুষ না।
অফিসরুমে বসেই জিলানী প্রথমে মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দেওয়া চিকিৎসা বিবরণী পড়লেন। দেখা যায়, জেরিনকে মাত্রারিক্ত ঘুমের বড়ি খাইয়ে অজ্ঞান করা হয়েছিল। জিলানীর মনে পড়লো নিধির জিনিসপত্র তল্লাশীর সময় কয়েকপাতা ঘুমের বড়ি পাওয়া গেছে। তার মানে এই দাঁড়ায় যে গাড়িতে ওঠার আগে নিধি কোন খাবারের সঙ্গে, হতে পারে সেদিন তাকে দেওয়া নিধির তৈরি বিরিয়ানির সাথে, সঙ্গোপনে অনেকগুলো ঘুমের বড়ি মিশিয়ে জেরিনকে খাইয়েছিল।
‘স্যার সালাম দিয়েছেন।’ এসএস (ক্রাইম) সাহেবের অফিস সহায়ক এসে বললেন।
‘আমি আসছি।’ কথাটা বলে জিলানী কাগজগুলো গুছিয়ে রেখে উঠলেন। বসের রুমে ঢুকতেই বস বললেন,‘তোমাকে দেখি এসবি তে বদলি করা হয়েছে। বুঝতে পেরেছো এটা কারা করেছে?’
‘বুঝেছি স্যার। ক্রিমিনালদের কাছে কি আমরা হেরে যাবো স্যার?’ জিলানী বললেন।
‘অ্যাবসুলিউটলি নট। আমি মনে করি এ বদলি একটা অদূরদর্শিতার কাজ।’
‘স্যার, আপনি তো আমাকে জানেন। আমি চাকরি জীবনে কখনও বদলির তদবির করি নি। যেখানে পোস্টিং হয়েছে সেখানে গিয়েছি। কিন্তু এটা একটা প্রেস্টিজের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বদলিটা যদি না ফেরাতে পারেন অন্তত আমাকে পনেরটা দিন সময় দেন, আমি ক্রিমিনালদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়ে যেতে পারবো। স্যার, রেজাউদ্দিন সাহেবের খোঁজটা বের করতে না পারলে একদিকে যেমন ইস্যুটা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে, অন্যদিকে এটা সিআইডি’র বড় ব্যর্থতা হিসেবে গণ্য হবে।’
‘তুমি ঠিক বলেছো জিলানী। এ জন্যই তোমাকে আমি ভীষণ পছন্দ করি। আমি দেখছি। আই উইল ফাইট ফর ইউ। শোনো, আমি মালিবাগ অঞ্চলের ডিসি সাহেবের সাথে কথা বলেছি। উনি ওসিকে বলে দিয়েছেন তোমার গাড়িতে গুলি চালানোর কেসটা আরও শক্ত হাতে ডিল করতে।’
‘থ্যাংক ইউ স্যার।’ জিলানী প্রতিক্রিয়া জানালেন। জিলানী জানেন, এই এক ব্যক্তি যিনি তাকে অসম্ভব ভালোবাসেন। চোখ বন্ধ করে তার উপর নির্ভর করেন। জিলানী সাথে তাঁর ব্যক্তিগত আচরণও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বন্ধুসুলভ।
এমন সময় সিআইডি’র এসএস (সায়েন্স) রুমে ঢুকলেন। জিলানী তাঁকে দেখে সালাম দিলেন। তিনি সামনের চেয়ারে বসতে বসতে হাসিমুখে বললেন,‘কেমন আছেন জিলানী ?’
‘স্যার ভালো আছি।’
‘আপনার ওই চাঞ্চল্যকর মামলাটির কতদূর ?’
এটা শুনে এসএস (ক্রাইম) সাহেব বলে উঠলেন,‘জিলানীর তো খুব ভালো অ্যাচিভমেন্ট ওই মামলায়। অথচ দেখেন, হুট করে তার পোস্টিং অর্ডার করে দিল!’
‘তাই নাকি! না না ক্রাইম সাহেব, ওনার জন্য লিখেন, বদলি ক্যানসেল করান। সিআইডি ইজ প্রাউড অফ হিম! যদি বলেন আমিও আইজিপি সাহেবকে রেকুয়েস্ট করতে পারি। স্যার আমার কথা ফেলবেন না।’ এসএস (সায়েন্স) মন্তব্য করলেন।
‘আচ্ছা জিলানী, তুমি এসো। আমরা একটা ওয়ে আউট বের করি।’ এসএস (ক্রাইম) বললেন।
জিলানী তার রুমে চলে গলেন। এক কাপ চা খেয়ে আবার মামলার কাগজপত্রে মনোনিবেশ করলেন।
ফোন এলো এসআই রাইসের। ইন্সপেক্টর জিলানী ফোন ধরে বললেন,‘সব ঠিক আছে ?’
‘জি স্যার, ঠিক আছে। নিধি মিস জেরিনের খোঁজ খবর নেয়ার জন্য দুবার চেষ্টা করেছিল, দুবারই সিকিউরিটি ওয়াচারদের ধমক খেয়ে চলে গেছে। স্যার, একটা কথা।’
‘কী কথা?’
‘মিস জেরিন তো এসে গেছে। এখন নিধিকে ওই বাড়ি থেকে আউট করে দিলে কেমন হয়?’
‘তুমি যা বলছো তা আমার মাথায় আছে, রাইস। এখন না। আউট করলে একদম বোল্ড আউট করতে হবে। রাজমিস্ত্রীর হেলপার খসরুর জবানবন্দিটা নিয়ে নেই। আমার বিশ্বাস তার কাছ থেকে ভাইটাল তথ্য পাবো। নিধি তাকে কেন গোপন করে রেখেছিল সেটা বের করতে হবে।’
‘ওকে স্যার। আরেকটা ইস্যু- মিস জেরিন আকারে ইঙ্গিতে কয়েকবার তার বাবার কথা জিজ্ঞেস করেছে। তাকে তার রুম থেকে অন্য কোথা যেতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু বাবাকে কেন তার কাছে আনা হচ্ছে না মনে হয় এ প্রশ্নটাই তার মনে হিট করছে। ওনাকে কি তার বাবার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টা বলে দেব ?’
‘প্রশ্ন করাটাই স্বাভাবিক। বাবা আর মেয়ের রুম তো একই ঘরে। কতক্ষণ আর চেপে রাখা যাবে! এক কাজ কর, তুমি নিজে গিয়ে তার মুড বুঝে খুব ট্যাক্টফুলি তার বাবার বিষয়টা জানিয়ে দিও। অন্যথায় নিধি কিংবা কাজের বুয়া যদি হুট করে বলে দেয় তাহলে শক পেতে পারে। মিস জেরিনকে সাহস দিয়ে বলবে যে আমরা খুব শিগগিরই তার বাবাকে খুঁজে বের করব।’
‘জী স্যার।’ ফোনালাপ শেষ।
সন্ধ্যার পর পর জিলানী ইন্টাররোগেশন সেলে গেলেন। খসরুকে তাঁর সামনে নিয়ে আসা হলো। জিলানীকে দেখে সে সালাম করল। জিলানী খসরুকে নিরীক্ষণ করলেন। তার মুখের দাড়ি এ ক’দিনে আরও বড় হয়েছে।
জিলানী তার জন্য কিছু খাবার আনালেন। সে খেলো। তার ধারণা হলো, জিলানী লোকটা সোহরাবের চেয়ে ভালো, অনেক মানবিক।
‘আমি জানি খসরু, তুমি নিজের থেকে কিছু করো নি। যা করেছো সব নিধির কথায়। আমাকে সব খুলে বলো। তোমার সুবিধা অসুবিধা আমি দেখবো।’ জিলানী বললেন।
‘স্যার আপনে সত্য বলছেন। আমি কিছু করি নাই। আমারে দিয়া করানো হইছে।’
‘সে কথা আমি জানি। এটাও জানি তুমি আগের চেয়ে অনেক ভালো হয়েছো, ধার্মিক হয়েছ। ঠিক কিনা?’
‘জী স্যার ঠিকই ধরছেন।’
‘তাহলে খুলে বলো। তবে হ্যাঁ, যা বলবে সত্য বলবে। তোমার কোন ভয় নেই। আর যদি মিথ্যা বলো, আমি কী করবো সেটা পরে, পাশের রুমে সোহরাব সাঁড়াশি নিয়ে অপেক্ষা করছে। হ্যাচকা টানে তোমার জিহ্বাটাই তুলে ফেলবে।’
‘স্যার আমি সত্যই বলমু। যেদিন আমার এসআই রাজীব স্যারের লগে দেখা করার কথা, হ্যার আগের দিন নিধি ম্যাডাম আমাকে ফোন দিয়া বলছে আমি য্যান না আসি। তারপর সে আমারে বলছে দূরে দূরে পলাইয়া থাকার জন্য। তা না হইলে আমারে লোক দিয়া মাইরা ফালাইবে।’
এ কথাগুলো বলে খসরু অঝোরে কাঁদা শুরু করল।
‘তারপর বলো। মূল ঘটনা বলো। নিধি কেন তোমাকে লুকিয়ে থাকতে বলল?’ জিলানী বললেন।
খসরুর কান্না যেন থামছেই না। জিলানী বুঝলেন যে তার ভয়টা খুব তীব্র।
‘স্যার আমি পরে বলি? শরীরটা ভালো লাগতাছে না। আমি আপনারে সব বলবো স্যার।’ খসরু কান্নাজড়িত কন্ঠে বলল।
জিলানী দেখলেন খসরুকে আরেকটু সময় দেওয়াই সঠিক হবে। বললেন,‘ঠিক আছে। তোমার কথা রাখলাম। তুমিও কিন্তু কথা রাখবে।’
এমন সময় মালিবাগ থানা থেকে এসআই বাবুলের ফোন এলো। জিলানী বললেন,‘কেমন আছেন বাবুল?’
‘ভালো স্যার। একটা ভালো খবর দেওয়ার জন্য কল দিলাম স্যার।’
‘আচ্ছা ! বলুন দেখি খবরটা।’
‘বছিলার আসামি স্বীকাকারোক্তি করেছে। সে আপনার মোবাইলে কল দিয়ে শুটারকে অবস্থান জানিয়েছিল।’
‘তারপর ?’
‘তার স্বীকারাক্তি মতে আপনার গাড়িতে যে শুট করেছিল তাকে একটু আগে গ্রেফতার করলাম। খুব ফেরোশাস !’
জিলানী মনে মনে বললেন, তাহলে বসকে দিয়ে ডিসিপিকে বলে কাজ হয়েছে! যার ক্ষমতা যেখানে! জিলানী ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বললেন,‘ভেরি গুড বাবুল! খুব ভালো অ্যাকশন নিয়েছেন। এবার বের করুন এর পেছনে কারা। আচ্ছা, যে ফেরোশাস আসামিকে ধরলেন তার নাম কী ?’
‘বাইট্টা বকশী।’
[চলবে]
