বিধ্বংসী প্রহর, পর্ব—১৭

‘মাইরের নাম বাবাজী’— কথাটা কি আর এমনি এমনি বলে !
অবশেষে রিফাত স্বীকার করেছে যে ওই পাওয়ার অব এটর্নি ভুয়া। রেজাউদ্দিন সাহেবের স্বাক্ষরটা জাল। ওটা সে নিজেই তৈরি করেছে।
বাড়ির মালিক রেজাউদ্দিন সাহেব তার দূর সম্পর্কের আত্মীয়। তিন মাস আগে যখন তিনি স্ট্রোক করে গুরুতর অসুস্থ পড়েন, তখন থেকেই সে প্লান করছিল এমন একটা আইনি ক্ষমতাপত্র তৈরি করার।
যেদিন রিফাত মিডিয়াতে শুনলো জেরিনের প্লেন ক্রাশ করেছে, তার দু’দিন পরই এডভোকেটের কাছে গিয়ে ওই পাওয়ার অব এটর্নি সম্পাদন করিয়েছে। যদিও এডভোকেট এর জন্য কোন ফি রাখেন নি ; তারা পরস্পর বন্ধু। রেজাউদ্দিন সাহেব স্বাক্ষর করে দিয়েছেন কিন্তু চলাচল করতে পারেন না বিধায় সশরীরে আসতে পারেন নি— এমন কথা এডভোকেট সাহেব বিশ্বাস করেছেন।
এক প্রশ্নের জবাবে রিফাত বলেছে যে, বাড়ির তৃতীয় তলায় সে কয়েক বছর ধরে ভাড়াটে হিসেবে থাকছে। তৃতীয় তলাটা সে কিনতে চেয়েছিল কিন্তু মালিক রাজি হন নি। ওই তৃতীয় তলার ফ্ল্যাট এবং তার উর্ধমুখী সম্প্রসারণ করার ক্ষমতাপ্রাপ্তিই তার মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল। সে কারণেই সে ডকুমেন্টটা পুরো সম্পত্তির উপর তৈরি করে নি।
তার সাথে আর কেউ জড়িত রয়েছে কিনা এ জিজ্ঞাসার উত্তরে রিফাত দৃঢ়ভাবে বলেছে— না, আর কেউ নেই।
রেজাউদ্দিন সাহেবকে ১৯ জানুয়ারি বিকেল থেকে পাওয়া যাচ্ছে না, ঘটনাটা প্রকৃতপক্ষে কী? রিফাত জানায় এ সম্পর্কে সে কিছু জানে না। সে আবারও জোর দিয়ে বলে যে, সেদিন বিকেলে রেজা সাহেবকে সে বাড়ির আঙ্গিনার বাগানে হাঁটতে দেখে নি।
নিধির সাথে তার কী সম্পর্ক এ ব্যাপারে সে জানায় যে, নিধি ওই বাড়ির কাজকর্ম দেখাশুনা করে। মাঝে মাঝে তার ফ্লাটে আসে ফ্ল্যাট ভাড়ার টাকা নেয়ার জন্য, যদিও অধিকাংশ সময় রিফাত গিয়ে ভাড়ার টাকা দিয়ে আসতো। নিধির সাথে তার কোন ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নেই।
রেজাউদ্দিন সাহবের সাথে মাঝেমধ্যে তার কথা কাটাকাটি হতো কিনা এ প্রশ্ন করা হলে রিফাত নীরব থেকেছে। শুধু বলেছে যে রেজা সাহেব বদমেজাজি ছিলেন।
পাওয়ার অব এটর্নি হাতে পেয়ে রিফাত রেজাউদ্দিন সাহেবকে গুম অথবা খুন করিয়েছে— জিলানীর এমন আশঙ্কার কথা শুনে রিফাত ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেছে, এসব বলার চাইতে বরং তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হোক।
রিফাত জানিয়েছে, ডকুমেন্ট সৃষ্টির ব্যাপারে সে যা করেছে অনুচিত কাজ করেছে। এজন্য সে খুবই অনুতপ্ত।
ইন্সপেক্টর জিলানী রিফাতের বক্তব্য রেকর্ড করে রেখেছেন। সম্পূর্ণ বক্তব্য তিনি ঘটনা ও পারিপার্শ্বিকতার সাথে যাচাই করে দেখবেন। রিফাতের বক্তব্যে তিনি পুরোরুরি সন্তুষ্ট নন। আরও অনেক তথ্যই তাঁকে উদঘাটন করতে হবে।
এসএসপি (ক্রাইম) সাহেবের অফিস চেম্বারে ঢুকলেন জিলানী। এসএসপি সাহেব বলে উঠলেন,
‘এসো জিলানী, পেপারে তোমার নিউজটাই পড়ছিলাম।’
জিলানী বুঝে উঠতে পারছে না বস কোনটার কথা বলছেন। একটা ইনটিউশন কাজ করল। তবে কি গতকালের হাতিরঝিলের ঘটনা পত্রিকায় এসেছে? জিলানী বললেন,‘হাইজ্যাকার ধরার নিউজ স্যার ?’
‘হ্যাঁ। তোমার তো উচ্ছসিত প্রশংসা করেছে পত্রিকা। এটা ডিপার্টমেন্টের জন্যও গৌরবের।’
‘থ্যাংক ইউ স্যার। আমি অফিসিয়ালি একটা লিখিত প্রতিবেদন নিয়ে এসেছি। এতে পুরো ঘটনাটা বর্ণনা করা আছে। সিচুয়েশন সামাল দিতে আমার রিভলবারের এক রাউন্ড গুলি খরচ করতে হয়েছে স্যার।’
‘হোয়াটএভার, পত্রটা আমার কাছে দিয়ে যাও। তবে এধরনের ইনসিডেন্টাল অ্যাকশন খুব রিস্কি। তাছাড়া তুমি তো একদম একা ছিলে ! কাজটা অবশ্যই প্রশংসনীয়, বাট সেভিং অফ ওন লাইফ কামস্ ফার্স্ট।’
‘রাইট স্যার। আপনি ভাববেন না। এটা আমার প্রথম নয়।’
এসএসপি সাহেব দু’কাপ চায়ের অর্ডার দিলেন। ইন্সপেক্টর জিলানী রেজাউদ্দিন সাহেবের কেসের সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে বসকে অবহিত করলেন। এসএসপি সাহেবও তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকে জিলানীকে কিছু পরামর্শ দিলেন।
চা এলো। উভয়ে চায়ের পেয়ালায় চুমুক দিলেন। এসময় ইন্টারকম বেজে উঠলো। এসএসপি সাহেব রিসিভার উঠালে তাঁর পিএ কথা বললো। এরপর এসএসপি সাহেব জিলানীর দিকে মুখ করে বললেন,
‘কয়েকজন সাংবাদিক তোমার সাথে কথা বলতে চায়। তুমি ওয়েটিং রুমে যাও। টক টু দেম।’
‘ওকে স্যার।’ বলে জিলানী সাংবাদিকদের মুখোমুখী হওয়ার জন্য ওয়েটিং রুমে চলে গেলেন।
সকাল থেকে ফোনের পর ফোন ! সাজিয়ার পক্ষে ঘরের কাজে মন দেয়াই মুশকিল। আত্মীয়-অনাত্মীয়দের কল। এর মধ্যে বেশিরভাগই তার বান্ধবীদের। হাতিরঝিলের সংবাদটা পড়ে তারা জিলানীর প্রশংসায় একেবারে পঞ্চমুখ।
আরেকটা ফোন এলো। সাজিয়া দেখে তার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী তিনার কল।
‘হ্যালো তিনা !’
‘বাহ্ সাজিয়া ! তোর হাসবেন্ড তো দেখি দা..রু..ণ ! একদম ফিল্মের অ্যাকশন হিরো !’
‘দেখতে হবে না লোকটা কার ! হা হা..।’ সাজিয়া ফান করে কথাটা বললো।
‘তাই তো দেখছি ! আমার বড় হিংসে হচ্ছে রে !’
‘এই ! হিংসা করিস না। রাতে ঘুম হবে না।’ এ কথায় দুজনেই হেসে উঠলো।
‘শোন, আমার কাছে এসব আর থ্রিলিং মনে হয় না। এটা তো নতুন না। এমন আরও অনেক ঘটনা আগে হয়েছে।’ সাজিয়া বললো।
‘তাই ? যাই বলিস, খুব রিস্কি ছিল কিন্তু।’ তিনার মন্তব্য।
‘ও কী বলে জানিস ? রিস্কই যদি না নিলাম তাহলে এ পেশায় এসে লাভ কী হলো !’
‘কথায় যুক্তি আছে। তুই কংগ্রাচুলেট করেছিস তো ?’
‘না, পেলাম কই ? খুব সকালে বেরিয়ে গেছে। আচ্ছা বলছিস যখন, এখন করে দিচ্ছি। রাখি রে !’
সাজিয়া পর পর দুবার কল করলো। রিং হয়, কল ধরে না। এক মিনিট পর জিলানীর এসএমএস পেলো— সামনে সাংবাদিক। পরে কথা বলি।
ইন্সপেক্টর জিলানী তাঁর অফিস রুমে এসে বসলেন। টেবিলে দৈনিক পত্রিকা। এখন পর্যন্ত তিনি চোখ বুলাতে পারেন নি, এবার দেখলেন। বেশ ভালোভাবেই গতকালকের ঘটনাটা পত্রিকায় এসেছে। তিনি অবাক হলেন তাঁর ছবি দেখে। একজন ছিনতাইকারীকে ঘুষি মেরে তিনি ফেলে দিচ্ছেন এই ছবি তারা পেলো কোত্থেকে ! হয়তো পাবলিকের কেউ তার মোবাইলে ধারণ করে সাংবাদিককে দিয়েছে। এক শ্রেণির লোক তো রয়েছেই তামাশা দেখে দেখে মোবাইলে ছবি তোলার জন্য ! জিলানী আপন মনে হাসলেন।
অফিস সহকারী দিদার ভেতরে ঢুকলো। জিলানী তাকালেন। দিদার বললো,
‘স্যার ডাক নিয়ে এক লোক এসেছে। বলছে আপনার হাতে হাতে দেবে।’
‘আচ্ছা ভেতরে আসতে বলো।’
লোকটা ভেতরে ঢুকে ‘গোপনীয়’ সিল দেওয়া একটি খাম জিলানীর হাতে দিলো। ইন্সপেক্টর জিলানীর নামেই খামটা। জিলানী তাঁর স্বাক্ষর দিয়ে গ্রহণ করলে লোকটি চলে গেলো। খামটা খুলে দেখার পর জিলানী স্বগোক্তি করলেন— যাক, পহেলা জানুয়ারি থেকে গতকাল পর্যন্ত নিধি, পিন্টু ও রিফাতের ফোন কলের লিস্ট পাওয়া গেলো। এখন প্লেনযাত্রীদের লিস্টটা পেলেই হলো ; ওটা বেশি জরুরি।
এইমাত্র সহযোগী সোহরাবকে সাথে নিয়ে জিলানী মোচনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেন। মোচন সেইসব বক্তব্যই দিয়েছে যা পিন্টু বলেছিল। অর্থাৎ পিন্টু সিঁড়ি থেকে পড়ে প্রচন্ড ব্যথা পেয়েছিল, ফলে রিফাত নিজের গাড়ি চালিয়ে জেরিনকে নিয়ে নিধিসহ এয়ারপোর্টে গিয়েছিল— একথার সামঞ্জস্য পাওয়া গেছে।
জিলানী তাঁর সহযোগী সোহরাবকে নির্দেশ দিলেন ড্রাইভার পিন্টুর কাছ থেকে সেদিনকার ডাক্তারের প্রেসকিপশন সংগ্রহ করতে। সোহরাব তখনই ছুটলো।
আজ থেকে দিনের বেলা সিকিউরিটি ম্যান রুস্তমের ডিউটি। রাতে আদিলের। নিধি বুয়াকে দিয়ে মাঝে মধ্যে চা-নাস্তা পাঠিয়ে দেয়। তাদের সাথে আচরণও ভালো করে। তাতে কী ! রুস্তমের কঠোর নজরদারীতে এটা কোন প্রভাব ফেলছে না। বিশাল একটা বাড়িতে একজন নারী রাত-দিন কিভাবে একাকী বসবাস করছে এটা ভেবে এবং দেখে তারা সত্যিই অবাক।
নিধি ঘর থেকে বের গলো। হাতে লেডিস ব্যাগ। গেটে খাতায় এন্ট্রি করে রাস্তায় উঠতেই রুস্তম ইন্সপেক্টর জিলানীকে তার মোবাইল থেকে কল দিলো।
‘স্যার, নিধি ম্যাডাম একটা রিক্সায় উঠেছে। ভাড়া সত্তুর টাকায় ঠিক করেছে। মনে হয় দূরে কোথাও যাচ্ছে।’
জিলানী দ্রুত তাঁর সহযোগী রাইসকে ফোন দিয়ে বললেন, ‘ফলো হার।’
রাইসকে আগেই নির্দেশ দেওয়া আছে, যখনই নিধি গেটের বাইরে বের হবে, তাকে ফলো করার জন্য। এ জন্য রাইস ওই বাড়ির কাছাকাছি অবস্হান নিয়ে আছে। সাথে একটা সিএনজি অটো। নির্দেশ পেয়ে নিধির পেছনে পেছনে নির্দিষ্ট দূরত্ব রেখে এমনভাবে ছুটছে যেন সে বুঝতে না পারে।
রিক্সা অলিগলি পার হয়ে মোহাম্মদপুর বছিলায় ঢুকে গেলো। রাইসও রয়েছে পেছনে। নিধির রিক্সা একটা বস্তির মুখে এসে থামলো। ব্যাগ থেকে টাকা বের করে রিক্সা ভাড়া মেটাচ্ছে। এমন সময় সিএনজি অটো দূরে রেখে রাইস হেঁটে এসে নিধিকে অনুসরণ করলো।
বস্তির চিকন গলির পাশে রয়েছে লম্বাটে একটা টিনের ঘর।
নিধি মাথায় এমনভাবে তার আঁচল টেনে দিলো যেন পর্দানশীন মহিলা। এরপর দরজায় নক করে ঘরের ভেতরে ঢুকলো। রাইস এসবের কারণ কী বোঝার চেষ্টা করলো। ভাবলো, এ ঘরে রেজাউদ্দিন সাহেবকে আটক রাখা হয়নি তো ! সে একটা গাছের আড়ালে গিয়ে ইন্সপেক্টর জিলানীকে রিং দিয়ে জানালো। জিলানী তাকে স্হির দৃষ্টি রাখার নির্দেশ দিয়ে নিজেও গাড়ি নিয়ে রওয়ানা করলেন।
আনুমানিক দশ মিনিট পর নিধি ওই ঘর থেকে বের হলো। সাথে বের হলো দাড়িওয়ালা এবং পাঞ্জাবি-পায়জামা পরিহিত হুজুরমতো একজন। লোকটি আরেক গলি দিয়ে বের হয়ে গেলো। নিধি যে গলি দিয়ে এসেছিল সে গলি দিয়ে সামনে এগুলো।
রাইসের সাথে ইন্সপেক্টর জিলানীর মোবাইল যোগাযোগ চলমান। রাইস নিধিকে ফলো করতে করতে ব্যস্ত রাস্তায় চলে এলো। নিধি একটা রিক্সা ডেকে বললো ধানমন্ডি যাবার জন্য। ষাট টাকায় ভাড়া ঠিক করলো। রাইস বুঝলো নিধি ওই বাড়িতে ফিরে যাচ্ছে। রাইস রুস্তমকেও ফোন করলো। বললো নিধি কয়টার সময় বাড়ি পৌঁছে এটা যেন সে অবশ্যই নোট করে।
জিলানী দ্রুতই চলে এলেন। রাইসকে নিয়ে সেই টিনের ঘরে ঢুকলেন। দেখেন এটা একটা মেস। ভেতরে দুই সারিতে চারটা করে আটটা বিছানা। একজনকে পাওয়া গেলো। জিজ্ঞেস করায় সে জানালো যে, এখানে আটজনের পাঁচজনই দিনমজুর। সকালে বেরিয়ে যায় সন্ধ্যায় ফিরে আসে। বাকি তিনজনের একজন দেশের বাড়িতে গেছে, একজন মৌলভী যে একটু আগে বেরিয়ে গেছে, আরেকজন সে নিজে, কাছেই এক বাড়িতে নৈশ প্রহরীর কাজ করে।
জিলানী ও রাইস দুজনই নিজেদের সমাজকল্যাণমূলক এনজিও’র লোক বলে পরিচয় দিলেন।
‘এই যে মৌলভীর কথা বললেন, তার সাথে একটু আগে এক মহিলা দেখা করে গেছে না ?’ জিলানী জিজ্ঞেস করলেন।
‘জী। উনি হ্যার বোইন। খুব পর্দা কইরা চলে। খালি চোখ দুইটা দেখা যায়, চেহারা না। মাঝে মাঝে আইসা হ্যার ভাইরে টাকাটুকা দিয়া যায়।’ সে জানালো।
‘আচ্ছা কোন বুড়ো লোককে কি এখানে আনা হয়েছিল বা রাখা হয়েছিল কখনো ?’ জিলানী বললেন।
‘না। এরম দেখি নাই।’ সে জবাবে বললো।
ইন্সপেক্টর জিলানী ও তাঁর সহযোগী রাইস দুজন ওই ঘর থেকে বের হয়ে এলেন। ঘরের ছবি তুললেন। হাঁটতে হাঁটতে রাইসকে বললেন,
‘খুব সকালে এসে ওই দাড়িওয়ালার ছবি তুলে আমাকে সেন্ড করবে। ক্লোজ ওয়াচে রাখবে।’
জিলানী জীপে বসে ভাবছেন— নিধি তো বলেছে তার কেউ নেই। এক সৎমা ছিল সেও মারা গেছে। তাহলে এই ভাই কোত্থেকে টপকালো ? এই দাড়িওয়ালা মৌলভীটা কে ? কোন জঙ্গি ? নাকি ছদ্মবেশে থাকা খসরু ?
এসময় আরেক সহযোগী সোহরাবের কল এলো।
‘খবর বলো।’
‘স্যার পিন্টুকে সাথে নিয়ে খুঁজলাম। প্রেসক্রিপশন পাওয়া যায় নি।’
‘পিন্টু কী বলে ?’
‘সে বলে, প্রেসক্রিপশন সংরক্ষণ করে রাখে নি। এটাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেনি। তবে স্যার তল্লাশী করে অন্য কিছু পাওয়া গেছে।’
‘আচ্ছা ! কী পেয়েছো ?’
‘রেজাউদ্দিন সাহেবের সেভিং একাউন্টের একটা চেকবই।’
চলবে…
