রবির কবি: নজরুলকে রবীন্দ্রনাথই চিনতে পেরেছিলেন

রবির জন্মতিথি
কাজী নজরুল ইসলাম
রবির জন্মতিথি কয়জন জানে?
অঙ্ক কষিয়া পেয়েছ কি বিজ্ঞানে?
ধ্যানী যোগী দেখেছে কি? জ্ঞানী দেখিয়াছে?
ঠিকুজি আছে কি কোনো জ্যোতিষীর কাছে?
নাই – নাই ! কত কোটি যুগ মহাব্যোমে
আলো অমৃত দিয়ে ধ্রুব রবি ভ্রমে!
জানে না জানে না। উদয় ও অস্ত তাঁর
সে শুধু লীলাবিলাস, গোপন বিহার।
রবি কি অস্ত যায়? অন্ধ মানব
রবি ডুবে গেল বলে করে কলরব।
রবি শাশ্বত, তাঁর নিত্য প্রকাশ
রূপ ধরি পৃথিবীতে ক্ষণিক বিলাস
করিয়া চলিয়া যায় জ্যোতির্লোকে,
এখনও দ্রষ্টা নেহারে তাঁর চোখে।
এই সুরভির ফুল রস-ভরা ফল
রবির গলিত প্রেমবৃষ্টির জল
কবিতা ও গান সুর-নদী হয়ে বয়
রবি যদি মরে যায় পৃথিবী কি রয়!
জন্ম হয়নি যাহার জ্যোতির্লোকে,
তন্দ্রা টুটেনি যাহার অন্ধ চোখে,
রবির জন্মতিথি দেখেনি সে-জন
আজও তার কাছে রবি অপ্রয়োজন।
কবি হয়ে এল রবি এই বাংলায়
দেখিল বুঝিল বলো কতজন তাঁয়?
রবি দেখে পেয়েছে যে আলোক প্রথম
তাঁরই মাঝে লভে রবি প্রথম জনম।
নিরক্ষর ও নিস্তেজ বাংলায়
অক্ষরজ্ঞান যদি সকলেই পায়,
অ-ক্ষর অব্যয় রবি সেই দিন
সহস্র করে বাজাবেন তাঁর বীণ।
সেদিন নিত্য রবির জন্মতিথি
হইবে। মানুষ দিবে তাঁরে প্রেমপ্রীতি।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে কাজী নজরুল ইসলামের কী কী কবিতা আছে? আমরা, বাঙালিরা কি এক লহমায় বলতে পারব? সাত সকালে নজরুল-শরণে শাণিত হতে গিয়ে স্বগতোক্তির মাত্রা বেড়েই চলেছে যেন? ভাবছি, ‘নজরুল ও রবীন্দ্রনাথ’ নিয়ে একটা বই লেখার কাজ শুরু করব। কিন্তু বই লেখা তো চাট্টিখানি ব্যাপার নয়। তাছাড়া দুই মহাকবিকে নিয়ে অনেক অনেক বই ইতিমধ্যেই লেখা হয়েছে। তাহলে আমাকে এমন কিছুই করতে হবে, ‘হেথা নয়, হেথা নয়, অন্য কোথা, অন্য কোনও খানে…’
নজরুলের নতুন চাঁদ কাব্যগ্রন্থ পড়ে গুন গুন করতে হয়, ‘চাঁদ দেখতে গিয়ে আমি তোমায় দেখে ফেলেছি!’ … নজরুলকে দেখেছি নাকি রবীন্দ্রনাথকে?… চাঁদ নিয়ে নজরুলের কত কত গান আছে। একটা গানের কথা বলতেই হয়…
চাঁদ হেরিছে চাঁদ-মুখ তার সরসীর আরশিতে
ছুটে তরঙ্গ বাসনা-ভঙ্গ সে অঙ্গ পরশিতে।।
হেরিছে রজনী – রজনী জাগিয়া
চকোর উতলা চাঁদের লাগিয়া,
কাঁহা পিউ কাঁহা ডাকিছে পাপিয়া
কুমুদীরে কাঁদাইতে।।
না জানি সজনী কত সে রজনী কেঁদেছে চকোরী পাপিয়া,
হেরেছে শশীরে সরসী-মুকুরে ভীরু ছায়া-তরু কাঁপিয়া।
কেঁদেছে আকাশে চাঁদের ঘরণী
চির-বিরহিণী রোহিণী ভরণী
অবশ আকাশ বিবশা ধরণী
কাঁদানিয়া চাঁদিনীতে।।
নজরুলকে লিখতে গিয়ে এই হল আমার বাতিক! নদী রচনা লিখতে গিয়ে গরুকে টেনে আনার নামান্তর। কিন্তু কিছুই করার নেই যে! নজরুল যে সমুদ্রসম! তো নতুন চাঁদ কাব্যগ্রন্থে কী এমন চাঁদের আলো রয়েছে? প্রথমেই বলতে হয় ‘অশ্রু-পুষ্পাঞ্জলি’ কবিতার কথা। ১১৫ পঙ্ক্তির কবিতা পড়ে রবীন্দ্রপ্রেমে কেবলই বিভোর হতে হয়। কবিতার শুরুতেই রবীন্দ্র-ঋদ্ধে নজরুল লিখছেন, ‘‘চরণারবিন্দে লহ অশ্রু-পুষ্পাঞ্জলি/ হে রবীন্দ্র, তব দীন ভক্ত এ কবির।/ অশীতি-বাষির্কী তব জনম-উৎসবে/ আসিয়াছি নিবেদিতে নীরব প্রণাম।’’ প্রণাম যে নীরব হতে পারে তা আমরা নজরুলের কাছ থেকেই শিখলাম। রবীন্দ্রনাথকে অশেষ শ্রদ্ধা করতেন নজরুল। সেসময় নজরুলের লেখনীর সমালোচকের অভাব ছিল না। কিন্তু নজরুলের প্রতি রবীন্দ্রনাথের বরাবরের স্নেহমিশ্রিত অগাধ ভালোবাসার রোদন ছিল। যেমনটি ছিল কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপর। তাইতো ‘অশ্রু-পুষ্পাঞ্জলি’ কবিতায় রবীন্দ্র-বন্দনায় মুখর নজরুল, ‘‘সহসা আসিনু আমি ধূমকেতু সম/ রুদ্রের দুরন্ত দূত, ছিন্ন হর-জটা,/ কক্ষচ্যূত উপগ্রহ, বক্ষে ধরি তুমি/ ললাট চুমিয়া মোর দানিলে আশিস!/ দেখেছিলে যারা শুধু মোর উগ্ররূপ,/ অশান্ত রোদন সেথা দেখেছিলে তুমি!/ হে সুন্দর, বহ্নি-দগ্ধ মোর বুকে তাই/ দিয়াছিলে ‘বসন্তের’ পুস্পিত মালিকা!/ একা তুমি জানিতে হে, কবি মহাঋষি,/ তোমারি বিচ্যুত-ছটা আমি ধূমকেতু!’’
রবীন্দ্রনাথকে উদ্দেশ্য করে নজরুল-নাথ, ‘‘একা তুমি জানিতে হে, কবি মহাঋষি,/ তোমারি বিচ্যুত-ছটা আমি ধূমকেতু!’’ কবিতার অমোঘ বাণী, একমাত্র নজরুলকে রবীন্দ্রনাথই চিনতে পেরেছিলেন! রতনে রতন চেনে। রবীন্দ্রনাথের বিচ্যুত-ছটায় আবির্ভূত হয়েছিলেন ধূমকেতু নজরুল। কবীর সুমনের একটা গান আছে, ‘‘আজ সকালকে ডেকে বলি গাও রবি-নজরুল গীতি/ তাতে আমার ভীষণ প্রীতি/ দ্যাখো সুরুচির পরিমিতি।’’ রবীন্দ্রনাথের পাশে ধূমকেতু কবি নজরুল ছাড়া আর কেউ বসার যোগ্য নন! নিজের তুলনা টানতে দুখের সমুদ্রে ডুব দিয়েছেন কবি।। ‘অশ্রু-পুষ্পাঞ্জলি’ কবিতায় নজরুল লিখছেন, ‘‘আগুনের ফুলকি হল ফাগুনের ফুল,/ অগ্নি-বীণা হলো ব্রজ-কিশোরের বেণু।/ শিব-শিরে শশিলেখা হল ধূমকেতু,/ দাহ তার ঝরিল গো অশ্রু-গঙ্গা হয়ে।’’ পরের লাইনেই নিজেকে অচ্ছূত ভেবে রবীন্দ্রকে সূর্যালোকে নিয়ে গিয়ে কবির শরণ, ‘‘বিশ্ব-কাব্যলোকে কবি, তব মহাদান/ কত যে বিপুল, কত যে অপরিমাণ/ বিচার করিতে আমি যাব না তাহার,/ মৃৎভাণ্ড মাপিবে কি সাগরের জল?/ যতদিন রবে রবি, রবে সৌর-লোক,/ হে সুন্দর, ততদিন তব রশ্মি লেখা/ দিব্য-জ্যোতি-পুষ্প গ্রহ-তারকার মতো/ অসীম গগনে রবে নিত্য সমুজ্জ্বল!/ ছন্দায়িত হবে ছন্দে সৃষ্টি যতদিন,/ ছন্দ-ভারতীর পায়ে বাণীর নুপূর/ ঝঙ্কারিবে যতদিন বৃষ্টিধারাসম/ ততদিন মধুছন্দা কবি, ছন্দ তব/ লীলায়িত হবে মধুমতী-স্রোত সম!’’
রবীন্দ্র-সৃষ্টির প্রশংসা করতে গিয়ে নজরুল ‘অশ্রু-পুষ্পাঞ্জলি’ কবিতায় লিখছেন, ‘‘যেমন ছড়ান রশ্মি সূর্য-নারায়ণ/ সেই রশ্মি রূপ নেয় শত শত রঙে/ পল্লবে ও ফুলে ফলে জলে স্থলে ব্যোমে,/ তেমনি দেখেছি আমি বিমুগ্ধ নয়নে/ অপরূপ রাগ-রেখা তোমার লেখায়,-/ মুরছিত হইয়াছে আবেশে এ তনু।’’
নজরুলের রবীন্দ্রপ্রীতির কথা বাল্যকাল থেকেই। রাণীগঞ্জ শিয়ারশোল রাজ হাইস্কুলে পড়ার সময় ফুটবল খেলার মাঠে জনৈক রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে কটূক্তি করায় নজরুল গোলপোস্ট ভেঙে তাঁর মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিলেন। গোলযোগ আদালতে যাওয়ায় অবস্থায় ছিল। তার আগেই দু’পক্ষের মধ্যে মিটমাট হয়ে গিয়েছিল। রাণীগঞ্জ শিয়ালশোল রাজহাইস্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র করাচির যুদ্ধক্ষেত্রে ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে রওনা দিয়েছিলেন। তাঁর পোঁটলায় অনেককিছুর মধ্যে রবীন্দ্রগানের স্মরলিপি ছিল। আমরা করাচিকালে ‘ব্যথার দান’ গল্পগ্রন্থের পরতে পরতে রবীন্দ্রগানের উদ্ধৃতি পাই। এথেকেই টের পাওয়া যায় তৃণমূলস্তরেই নজরুল রবীন্দ্রনাথকে গুলে খেয়েছিলেন! রবীন্দ্রনাথের থেকে আটত্রিশ বছরের ছোট নজরুলের গুরুদেবের সঙ্গে ছবি বিরল! রবীন্দ্র-নজরুলের একসঙ্গে ছবি তোলা নিয়ে আনন্দবাজার পত্রিকা’র লাইব্রেরিতে গিয়ে খবরের কাগজের একটা পুরানো লেখা পড়েছিলাম। সম্ভবত যুগান্তর পত্রিকায়। লেখাটির নির্যাস ছিল এমন… রবীন্দ্রনাথ সবে বিদেশ থেকে ফিরেছেন। সেইসময় এক নামী আলোকচিত্রী নজরুলের কাছে গিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথের পাশে বসিয়ে তাঁর ছবি তুলবেন বলে। নজরুলকে ওকথা বলতেই ভীষণ অপমান করে (আলোকচিত্রীকে মারধর বাকি ছিল) তাড়িয়ে দিয়েছিলেন।.. আসলে ওই লেখার ভাষা অনুযায়ী, নজরুল বলতে চেয়েছিলেন, ‘‘তোমার এত বড় স্পর্ধা যে কবিগুরুর পাশে বসিয়ে আমার ছবি তুলবে?’’… রবীন্দ্রনাথকে এরকমই শ্রদ্ধা করতেন নজরুল।
আসলে নজরুলের শুধু ‘অশ্রু-পুষ্পাঞ্জলি’ নিয়ে অন্বেষণ করতে হলে আস্ত একটা বই লেখা হয়ে যাবে নিশ্চিত। কবিতার প্রতিটি শব্দব্রক্ষ্মে সিক্ত হয়ে দুই মহামানবের মধ্যে সম্পর্কের-স্বাদ পাওয়া যায়। নজরুল লিখছেন, ‘‘দেখেছি তোমারে যবে হইয়াছে মনে/ তুমি চিরসুন্দরের পরম বিলাস!/ মানুষ এ পৃথিবীতে অন্তরে বাহিরে/ কত সে উদার কত নির্মল মধুর/ কত প্রিয়-ঘন প্রেম-রস-সিক্ত তনু/ কত সে সুন্দর হতে পারে সর্বরূপে/ তাই প্রকাশের তরে পরম সুন্দর/ বিগ্রহ তোমার গড়েছিল ওগো কবি!।’’ বিশ্বকবির কবিতা পড়ে বিদ্রোহী-প্রেমিক কবির মনে হয় (ক্ষমা করবেন নেতাজি)…
ওই মহামানব আসে।
দিকে দিকে রোমাঞ্চ লাগে
মর্তধূলির ঘাসে ঘাসে।।
সুরলোকে বেজে ওঠে শঙ্খ,
নরলোকে বাজে জয়ডঙ্ক-
এল মহাজন্মের লগ্ন।
আজি অমারাত্রির দুর্গতোরণ যত
ধূলিতলে হয়ে গেল ভগ্ন।
উদয়শিখরে জাগে ‘মাভৈঃ মাভৈঃ’
নবজীবনের আশ্বাসে।
জয় জয় জয় রে মানব-অভ্যূদয়
মন্দ্রি-উঠিল মহাকাশে।।
গুরুদেবের কবিতা পড়ে ‘অশ্রু-পুষ্পাঞ্জলি’ কবিতায় শিষ্য লিখছেন, ‘‘যখনি কবিতা পড়িয়াছি আমি/ তার আস্বাদনে যেন হয়ে গেছি লয়,/ রস পান করে আমি হয়ে গেছি রস,/ বলিতে পারি না সে রস কেমন।’’ রবীন্দ্রনাথের আত্মায় জারিত হয়ে নজরুল লিখছেন, ‘‘তোমারে দেখিতে গিয়া দেখিয়াছি আমি/ বক্ষে তব চির-রূপ-রস-বিলাসীরে!/ হারায়ে ফেলেছি সেথা সত্তা আপনার/ কাঁদিয়াছি রূপমুগ্ধা রাধিকার মতো।/ হে কবি, আজিও শুনি সে চির-কিশোর/ তোমার বেণুতে গাহে যৌবনের গান।/ সেথা তুমি কবি নও, ঋষি নও তুমি,/ সেথা তুমি মোর প্রিয় পরম সুন্দর!’’
নজরুলের তরবারি দিয়ে দাড়ি চাঁচা নিয়ে রবীন্দ্রনাথ একবার নজরুলকে সামনাসামনি বলেছিলেন, তুমি নাকি আজকাল তরবারি দিয়ে দাড়ি চাঁচছো? ‘আমার কৈফিয়ৎ’ কবিতায় এপ্রসঙ্গে নজরুল লিখছেন, ‘‘গুরু কন, তুই করেছিস শুরু তলোয়ার দিয়ে দাড়ি চাঁছা!’’ সেই গুরুদেবের দাড়িচাঁছার প্রসঙ্গ ফের উসকে দিয়ে ‘অশ্রু-পুষ্পাঞ্জলি’ কবিতায় শিষ্য গুরুদেবকে উদ্দেশ্য করে লিখছেন, ‘‘মনে পড়ে? বলেছিলে হেসে একদিন,/ ‘তরবারি দিয়ে তুমি চাঁছিতেছ দাড়ি!/ যে জ্যোতি করিতে পারে জ্যোতির্ময় ধরা/ সে জ্যোতিরে অগ্নি করি হলে পুচ্ছ-কেতু?’/ হাসিয়া কহিলে পরে, ‘এই যশ-খ্যাতি/ মাতালের নিত্য সান্ধ্য নেশার মতন/ এ মজা না পেলে মন ম্যাজম্যাজ করে/ মধু-র ভৃঙ্গারে কেন কর কেন কর মদ্যপান?’’
নজরুল-সম আগুন রবি-স্পর্শে চাঁদের জ্যোতি পেয়েছিল। তাইতো কবি ‘অশ্রু-পুষ্পাঞ্জলি’ কবিতায় লিখছেন, ‘‘যে বহ্নি-তরঙ্গ উঠেছিল মোর মাঝে/ তোমার পরশে তাহা হলো চন্দ্র-জ্যোতি।/ মনে হলো তুমি সেই নওকিশোর/ ঐশ্বর্য কাড়িয়া যিনি দেন শুধু রস।/ যাঁহার বেণুর সুরে আঁখির পলকে/ প্রেম বিগলিত হয় স্বর্ণ-বৃন্দাবন!’’
বিশ্বকবির জন্মদিনে শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় উজাড় করে নজরুল লিখেছিলেন ‘অশ্রু-পুষ্পাঞ্জলি’ কবিতা। যেমনটি লিখেছিলেন ভূমিকায় বলা ‘ শেষ সওগাত ‘ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ‘ রবির জন্মতিথি’ কবিতা। ‘ অশ্রু-পুষ্পাঞ্জলি ‘ কবিতার শেষ ছত্রে নজরুলের সমর্পণ, ‘‘আজ আমি ভুলে গেছি আমি ছিনু কবি,/ ফুটেছি কমল হয়ে তব করে রবি!/ প্রস্ফুটিত সে কমল তব জন্মদিনে/ সমর্পিনু শ্রীচরণে, লহ কূপা করি?’/ জানি না জীবনে মোর আগে রবি নিভিবে না/ তার আগে ঝরে যেন যাই শতদল!’’
ঋণ
১) ‘নজরুলের কবিতা সমগ্র’/ নজরুল ইনস্টিটিউট, ঢাকা।
২) ‘ নজরুলের সঙ্গীত সংগ্রহ ‘/ নজরুল ইন্সটিটিউট. ঢাক
মেহবুব কাদের চৌধুরী : লেখক ও সাংবাদিক, কলকাতা, ভারত
