কম্বলডা পানু, রাইতত এলা জাড় কম লাগিবে

ঠাকুরগাঁও সদরের রুহিয়ায় ৫০০ জন শীতার্তের মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। রুহিয়া ছালেহিয়া মাদ্রাসা মাঠে ডা.বাতেন-ডা.খাদিজা কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে এই কম্বল বিতরণ করেন ডা. এম এ বাতেন।

 মঙ্গলবার সকাল ১০ টার দিকে কম্বল বিতরণের কার্যক্রম শুরু হয়। সূর্যের তাপ বাড়তে শুরু করেছে ও-ই সময় কম্বল পেয়ে ঘনিমহেষপুরে আমেনা বেগম (৬৫) বলেন, ‘টাটির বাড়ি। রাইতকরে ঘরত হু হু করে বাতাস ঢুকেচে। সেলা জাড়ে কুকরি লাগে রহিবা লাগেছে। রাইতত খুব কষ্ট হয়। কম্বলডা পানু রাইতত এলা জাড় কম লাগিবে।’

মারিয়া দাস বলেন, ‘হোটেলত কাম করু। সারাডাদিন কাম করিবা লাগে। রাইতত বাড়িত যাউ। সেলা খুব জাড় লাগে।’

কর্ণফুলী বাজারের পান দোকানী বইজু রহমান বলেন, কারেন্ট শক লেগেছিলো, এখন পঙ্গু জীবন তার। মানুষ ভালো জায়গায় গেলে গ্রাম ও গ্রামের মানুষদের ভুলে যায়, ডা. বাতেন ভোলেননি।

কম্বল বিতরণের করেন ডা. বাতেন-ডা. খাদিজা কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ডা. এম এ বাতেন, রুহিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি নাজমুল কাদের, রুহিয়া ছালেহিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. মুজহারুল ইসলাম,সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম,  প্রথম আলোর সাংবাদিক মজিবর রহমান খান, মুজামন্ডল হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রাবেয়া সুলতানা, রুহিয়া থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঝারুল ইসলাম বাদল, সাধারণ সম্পাদক আপেল মাহমুদ, রুহিয়া থানা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক খোকা খানসহ অনেকে।

ডা. এম এ বাতেন বলেন, ‘মানুষ আমি বাহিরে প্রাণটা আমার এখানে। রুহিয়ার সকল মানুষকে আমি ভালোবাসি, গ্রামের আবাল বৃদ্ধ বনিতা হিন্দু-মুসলিম-খৃষ্টান সকলের সঙ্গে আমার সাক্ষতা আছে। আমাদের এই জেলায় শীত অনেক বেশি। একটা কম্বল দিয়ে শীত মোকাবেলা করা যায় না। তারপরও আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।

আরও পড়ুন