দৃষ্টিভ্রম

হঠাৎ — একদমই হঠাৎ
তুমি এলে
নিঃশব্দে।
যদিও —
কুয়াশা ভেজা শিশির টের পেয়েছিল,
কেন না তোমার পায়ের র্স্পশে তা জেগে ওঠে।
মিষ্টি রোদ্দুরও টের পেয়েছিল
কারণ তোমার গায়ে সোনারাঙা রোদের চাদর জড়িয়েছিল।
হাতের মুঠোয় কী জানি লুকিয়ে এনেছ আমার জন্য—
সেটা কী দুই মুঠো দুঃখ?
নাকি সুখ
নাকি না বলা বারণ।
ধরে কী নিব
আমার জন্য এনেছ দুই মুঠো দুঃখ
কী ব্যাপার হাসছ যে—
— তোমার কথা শুনে।
আমি কী এতই পাষাণ
যে তোমার জন্য দুঃখ নিয়ে হাজির হব।
সেটাই যদি হতো তবে কী সকালটা এত মিষ্টি হতো!
শিশিরগুলো কী এতই সতেজ হতো?
যাক তাহলে তুমি আমার জন্য দুই মুঠো সুখ নিয়ে এসেছ
— কি হলো? আরে চলে যাচ্ছ যে? কিছু তো বলে যাবে নাকি? চলেই যাচ্ছ কিন্তু!
আচ্ছা তুমি কি আর ফিরবে?
দূরে, পায়ে পায়ে সরে যাচ্ছে দূরে,
শিশিরে তার নীল শাড়ির আঁচল ভিজিয়ে দিয়ে,
আর আমি তাকিয়ে আছি দৃষ্টির শেষ সীমানা অবধি
নীরবতা—
ওই তো, মনে হয় আমার দিকে ফিরে তাকালে,
ঠোঁটের কোনে একটু কী হাসি দেখা যাচ্ছে?
তাহলে কি সে আর…
দৃষ্টিভ্রম নয় তো?
